ফেনীতে চার তরুণীকে গণধর্ষণ, আরেকজন গ্রেফতার

0
178

জেলা প্রতিনিধি ফেনী

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ফেনী শহরের রামপুর এলাকায় একটি বাসায় চার তরুণীকে আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনায় মো. ছোটন (৩৮) নামের আরেকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে ছোটনকেকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে, ফেনীর বিচারিক হাকিম দেলোয়ার হোসেনের আদালতে গ্রেফতারকৃত এক আসামি মো. ওমায়েরের (১৯) ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, শহরের রামপুর সৈয়দ বাড়ি এলাকার কাশেম ম্যানশনে দীর্ঘ ছয় মাস ধরে চার তরুণীকে বিভিন্ন স্থান থেকে এনে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়।

এ ঘটনায় ৭ জানুয়ারি নির্যাতিত এক তরুণী বাদী হয়ে কাওসার বিন কাসেমসহ (৩৩) অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে ফেনী সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে রামপুর এলাকা থেকে মো. ওমায়ের ও আরিফুল ইসলাম প্রকাশ আরমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার মূলহোতার সহযোগী মো. ছোটনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হলো।

মামলা তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহজাহান বলেন, শহরের রামপুর সৈয়দ বাড়ি এলাকা থেকে বিকেলে মূলহোতার সহযোগী ছোটনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া গ্রেফতারকৃত এক আসামির তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

৭ জানুয়ারি ফেনী সদর হাসপাতালে চার তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা শেষে জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য ফেনীর বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে নির্যাতনের বর্ণনা দেন তরুণীরা।

প্রকাশিত: ০৮:৩২ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
159 জন পড়েছেন