ডায়াবেটিস রোগীদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছে ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

0
111

চাঁদপুর রিপোর্ট প্রতিবেদক :

ডায়াবেটিস রোগীদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছে ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার। এ উদ্যোগ একটি মহৎ চিন্তা।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানের হাকীম মিজানুর রহমান এর সাথে আলোচনা করে জানা যায়, প্রতি মাসের ১-৫ তারিখে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অসচ্ছল, গরিব অসহায় মানুষদেরকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডায়াবেটিস চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সাধারণ মানুষ যাতে ডায়াবেটিস এর ছোবল থেকে নিজকে বাঁচিয়ে সংসার সমাজে সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে সেজন্য সম্পূর্ণ সাওয়াবের নিমিত্তে মানুষের কল্যানার্থে এ পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ডায়াবেটিসের লক্ষন

ডায়াবেটিসের উপসর্গ চেনা ও ধারনা থাকা খুব অপরিহার্য। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পরলে, যেকোনো ধরনের গুরুতর জটিল অব্স্থা প্রতিহ্ত করা যেতে পারে। দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস ধীরে ধীরে বিকশিত হতে থাকে সাধারণত মাস বা এমনকি বছর ধরে। এটি প্রাক ডায়াবেটিস থেকে হতেও পারে। উপসর্গ গুলি খুব ধীরে ধীরে দেখা যেতে পারে, যা চিহ্নিত করনে বেশী সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস মানুষ-র প্রায়ই প্রথমে কোনো লক্ষণ বোঝা যায় না। এমন কি তাদের বহু বছর ধরে উপসর্গ নাও দেখা যেতে পারে।

ডায়াবেটিস এর প্রাথমিক লক্ষণগুলি হল :

· যে কোনো ক্ষতের দীর্ঘ সময় ধরে নিরাময় বা ঘন ঘন সংক্রমণ। দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস আরোগ্য এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য আপনার ক্ষমতা প্রভাবিত করতে পারে।

· আপনার শরীরের কোষগুলি শর্করা থেকে বঞ্চিত গুলি হলে আপনি ক্লান্ত এবং খিটখিটে হতে পারেন।

· অপর্যাপ্ত পরিমানে ইনসুলিন আপনার কোষগুলিতে গ্লুকোজ পরিবহন ব্যহত হয় যা আপনার পেশী এবং অন্যন্ন অঙ্গগুলি নিস্তেজ হয়ে পড়ে, ফলে খুব দ্রুত খিদে বৃদ্ধি পায়।

· শরীরের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত শর্করা উপস্থিতি কোষের স্থিত রক্তরস শুষে নেয়, যা আপনাকে তৃষ্ণার্ত করে তুলবে। ফলত, আপনি অস্বাভাবিকভাবে পানি পান করবেন এবং মূত্র ত্যাগ করবেন।

প্রথম লক্ষণগুলি হল

* রক্তে শর্করার পরিমান মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি পেলে, চোখের লেন্সের ফ্লুইড শুকিয়ে যাবে এবং ফলত তা দৃষ্টিশক্তির উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।

* যারা সাধারণত দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস আক্রান্ত তাদের বগলের ও ঘাড় এবং শরীরের নরম সংযোগস্থলে গুলিতে কালো কালো ছোপ যাকে আমরা দেখতে পাই। এই অবস্থাকে, অ্যাকান্থসিস নিগ্রীকানস(Acanthosis Nigricans ) বলা হয় যা ইনসুলিন প্রতিরোধের একটি লক্ষণ হতে পারে।

* ওজন কমে যাওয়া। অস্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসের ফলে ওজন কমে যেতে পারে। গ্লুকোজ পরিপাক না হলে শরীর পেশী এবং চর্বি সঞ্চিত বিকল্প শক্তি ব্যবহার করে। ক্যালরি হিসাবে বাড়তি গ্লুকোজ প্রস্রাবের মধ্যে বেরিয়ে যায়।

উপরে উপসর্গ ছাড়াও, দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস উপসর্গ শুকনো মুখ এবং পা ব্যথাও হতে পারে।

এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, তাদের অবস্থার সচেতন ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে সঙ্গে দ্বিতীয় প্রকার ডায়াবেটিস বেঁচে থাকে। এই সব ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত ডাক্তার পরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়বে।

ডায়াবেটিস চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হল চিকিৎসার মাধ্যমে ডায়াবেটিস সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতা হতে না দেয়া।

চিকিৎিসা যথাযথ না হলে কয়েক বছরের মধ্যেই কিডনি ফেইলুর, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, হাত-পা জ্বালাপোড়া, পায়ের বোধশক্তি কমে গিয়ে ক্রমান্বয়ে ঘা হওয়া, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকসহ নানাবধি জটিলতায় জীবনের মান ক্রমাগত কমে যেতে থাকে।

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখার পাশাপাশি রোগীর ব্লাড প্রেসার, রক্তে কলস্টেরলের মাত্রা, দেহের ওজন ইত্যাদির চিকিৎসাও অতীব প্রয়োজন। রোগীরা যদি চিকিৎসার উল্লিখিত লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলেন তবেই ডায়াবেটিস চিকিৎসার এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।

যোগাযোগ :

হাকীম মিজানুর রহমান

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

মুঠোফোন : 01781146858

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
190 জন পড়েছেন