ভালো কাজের স্বীকৃতি পাচ্ছেন সহেলী

0
52

 

পুলিশ সপ্তাহে এবার যে কয়েকজন কর্মকর্তা পদক পাচ্ছেন তাদের মধ্যে আছেন পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (কমিউনিটি পুলিশিং) সহেলী ফেরদৌস। পুলিশ ও গণমাধ্যমের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে এই পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আজ রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এই পদক নেবেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

সহেলী জঙ্গিবিরোধী অপারেশন-সংক্রান্ত ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও মিডিয়ায় সরবরাহ করেন। পুলিশ বলছে, এই তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা করায় সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রমে পুলিশের ভূমিকা এবং সাফল্য সম্পর্কে জনমনে একটি ইতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়। যা বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি বাড়াতে বড় ভূমিকা পালন করে।

‘বিডি পুলিশ হেল্পলাইন’ অ্যাপটির প্রচার এবং এ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন তৈরি করেন সহেলী। তার নারী নির্যাতন বিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির মডিউলও তৈরি হচ্ছে তার তত্ত্বাবধানে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

পুলিশ বলছে, সহেলীর কর্তব্যনিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং পেশাদারিত্ব পুলিশের গণমাধ্যম বিভাগকে শক্তিশালী করেছে। এসব কারণে তাকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম সেবা) পদকে ভূষিত করা যেতে পারে।

সহেলী ফেরদৌস সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে ২০০১ সালে বাংলাদেশ পুলিশের যোগ দেন। ২০১৮ সালের আগস্টে তিনি কমিউনিটি পুলিশিং শাখায় যোদ দেন। এরপর জাতিসংঘ এবং ব্র্যাকের সঙ্গে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধবিষয়ক সতর্কবার্তা প্রণয়ন এবং তা প্রচারের কৌশল নির্ধারণে দুটি জেলায় কর্মশালার আয়োজন করেন। তার এই উদ্যোগের ফলে নভেম্বর মাসে জয়পুরহাটে একজন ‘জঙ্গিকে’ গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

ফেসবুকে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিট থেকে প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান করান সহেলী। এই তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশের ফেসবুক পেজে তিনি তা প্রকাশ করেন। এতে পুলিশের কর্মকা- সম্পর্কে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয় ও অসংখ্য ইতিবাচক মন্তব্য আসে।

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল ইউএনএফপিএর অর্থায়নে লিঙ্গীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটিভিত্তিক সচেতনতা মডিউলও তৈরি করছেন সহেলী। এই মডিউল নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যসহ কমিউনিটির মধ্যে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

পুলিশের নিউজ পোর্টাল চালুর বিষয়েও যাবতীয় কাজ করেন সহেলী। অচিরেই পোর্টালটি উদ্বোধন হবে। জঙ্গিবিরোধী ডকুমেন্টরি তৈরিতেও সরাসরি ভূমিকা রাখছেন তিনি।

সহেলী ফেরদৌস ২০১৮ সালেও পুলিশ পদক অর্জন করেন। তিনি ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে আইজি ব্যাজ পেয়েছিলেন।

সহেলী ফেরদৌস ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘পদক পেলে যেকোনো মানুষই নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ পাবে।’

সহেলী ফেরদৌসের মা রত্নগর্ভা হিসেবে ভূষিত হয়েছেন। পাঁচ বোনের মধ্যে বড় বোন সেনা কর্মকর্তা, তার ছোট সহেলী, তৃতীয় বোন পরিকল্পনাবিদ, চতুর্থ বোন একটি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়ে আইন বিভাগে রয়েছেন এবং সবার ছোট বোন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার।

আশিক আহমেদ | প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮:৫১

 

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
278 জন পড়েছেন