‘তৃণমূল পর্যায় থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও উপজেলাবাসীর সমর্থনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাই’

0
37

চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী
‘তৃণমূল পর্যায় থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও উপজেলাবাসীর সমর্থনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাই’
…….লায়ন হারুন অর রশিদ হাওলাদার।

গোলাম মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি :
চাঁদপুর সদর উপজেলাবাসীর পরিচিত মুখ, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুব সমাজের অহংকার আসন্ন চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লায়ন মোঃ হারুনুর রশিদ হাওলাদার বলেছেন, এ উপজেলাবাসীর একজন সেবক হিসাবে কাজ করার স্বপ্ন নিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের সুখ দুঃখে পাশে ছিলাম ও আছি। বিগত দিনে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার সালাম ও আমাদের অভিবাবক, চাঁদপুর-হাইচরবাসীর আশ্রয়স্থল,আমাদের গর্ব ও অহংকার দেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি’র সালাম প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যে কারনে এ উপজেলাবাসীর কাছে আমি একটি পরিচিত মুখ হিসেবে সবাই আমাকে চিনে। এর ফলশ্রæতিতে দলীয় নেতাকর্মীরাও আমাকে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিশেষ সভায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়েছে।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সম্ভ্রাব্য ভাইসচেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সংক্ষিপ্ত এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৩৯ বছর যাবত বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে এ দলের রাজনীতির সাথে জড়িত। এ দলের রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক নিপীড়িত-নির্যাতিত হয়েও এ দলের সাথে বেইমানী করিনি, অনেক লোভনীয় অপারকে থুথু মেরে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নের একজন সৈনিক হিসেবে আজো আছি আমৃত্যু থাকবো। অতএব, আমার দৃঢ় বিশ্বাস দল আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেবেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু আমি রাজনৈতিক কর্মী; দলীয় পরিচয় আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় । এ ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত আমি সবসময় চূড়ান্ত বলে বিশ্বাস করি। অতএব, দলের সিদ্ধান্তই মাথা পেতে নেবো।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি আমার পারিবারিক, ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও আত্মীয়-স্বজন সহ আমার যে একটি পরিচিতি আছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে আমি উপজেলাবাসীর গোপন রায়ে তাদের একজন সেবক হিসেবে বিজয়ী হবো।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবো এ সিদ্ধান্ত নিয়ে উপজেলাবাসীর প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়েছি এবং এ উপজেলার এমন কোনো গ্রাম বা মহল্লায় যেখানে আমার ব্যানার ফেস্টুন নেই। অতএব, প্রচার প্রচারণায়ও আমি মনে করি একজন প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রয়েছি, সেই ধারাবাহিকতায় আমার প্রচার ও গণসংযোগ অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, লায়ন হারুন অর রশিদ হাওলাদার চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিণা চালতাতলি অ্যাডওয়ার্ড ইনস্টিটিউটে ৮ম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। তিনি ছাত্র জীবনে চাঁদপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে সদর উপজেলা আওয়ামী যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক, ১৯৯৩ সালে চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সম্মেলনে (ইউসুফ গাজী-তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী), কমিটির কার্যকরী সদস্য, পরবর্তীতে জেলা যুবলীগের (কালু ভূঁইয়া-বেলায়েত হোসেন বিল্লাল), কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আদর্শ হোমিও মেডিকেল কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচিত তিন তিন বারের সদস্য, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক নির্বাচিত সদস্য, শিলন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি, মঠখোলা শাহী জামে মসজিদের সভাপতি, মঠখোলা উদয়ন ক্লাবের সাবেক সভাপতি, মানবাধিকার সংস্থা চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদস্য, মানবাধিকার কাউন্সিল চাঁদপুর জেলা সদস্য ও লায়ন্স অব চাঁদপুর রূপালীর সদস্য। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রি.

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
185 জন পড়েছেন