সাত জেলায় পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, আটক ৪

0
31
দুদকের অভিযানে আটক দালাল

বিশেষ সংবাদদাতা

পাসপোর্ট অফিস ঘিরে ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে দালালরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সিন্ডিকেট তৈরি করেছে- দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে আসা এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার একযোগে দেশের সাতটি জেলার পাসপোর্ট অফিসে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে ৭টি শক্তিশালী এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করে দিনাজপুর, বরিশাল, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, সিলেট, মেহেরপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

অভিযানকালে মেহেরপুর, মুন্সিগঞ্জ, কুমিল্লা এবং দিনাজপুরে মোট চারজন দালালকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে দুদক টিম। দালালদের সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।

এদিকে মুন্সীগঞ্জে অভিযান পরিচালনাকালে পরিলক্ষিত হয়- ওই দফতরের সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন গত এক মাস যাবত হাজিরা খাতা যাচাই করছেন না। এ ছাড়াও তার অফিসে সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল ফি’র অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ৪০০০ টাকা অতিরিক্ত ফি প্রদান করতে হয়। এ ঘুষ প্রদান না করলে ইচ্ছাকৃতভাবে পাসপোর্টে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটির সৃষ্টি করা হচ্ছে।

সিলেট পাসপোর্ট অফিসে অভিযানে দেখা যায়, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ করে দালাল চক্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।

টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে দালালরা বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন মাত্রায় ঘুষ আদায় করছেন বলে দুদক টিম প্রমাণ পায়। এ অফিসে ৫০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

এদিকে বরিশাল পাসপোর্ট অফিসে পুলিশ সদস্যরা দালাল সেজে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে বলে প্রমাণ পায় দুদক টিম। এ ছাড়াও কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসের চার কর্মকর্তাকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়।

এ অভিযান প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান ও সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে দুদক এ অভিযান পরিচালনা করেছে। দুর্নীতির প্রমাণের ভিত্তিতে দুদক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

প্রকাশিত: ০৩:৪০ পিএম, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
215 জন পড়েছেন