এরা ভয়ঙ্কর, এদের কাছ থেকে সাবধান!

0
259

 

মিজানুর রহমান রানা :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এই প্রতিবেদনটি তাদের জন্যই লিখছি, যাদের ন্যূনতম বিবেকবোধ রয়েছে। যারা সত্যিই ইনসান বা মানুষ। এই লেখাটি তাদের জন্য নয়, যারা মানুষ নয় এবং যাদের সত্যিমিথ্যার পার্থক্য করার জ্ঞানবোধ নেই।

বিষয়টা সত্যিই পীড়া দেয়। যখন শুনি একজন প্রবাসী তার সমস্ত অর্জিত টাকা এদের প্রতারণার কবলে পড়ে খুইয়েছেন। এদের খপ্পরে পড়ে স্ত্রী, মা-বাবা, ভাইবোনের জন্য প্রবাসের মরুর বুকে তপ্ত রৌদ্দুরে জীবনের সব মায়া ত্যাগ করে অর্থ উপার্জন করা টাকাটা এইসব প্রতারকদের কবলে পড়ে নষ্ট হয়েছে।

খুব কষ্ট লাগে।

এই যে যাদের কথা বলছি, এরা কারা? এরা হচ্ছে একশ্রেণির নষ্ট বিবেক। এরা সমাজের কীট- বোঝা। এরা পরিশ্রম করে নয়, বরং নিজের শরীরটা দেখিয়ে ফেইসবুক সহ অনলাইনের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রামের সহজ সরল মেয়েদের ছবি আপলোড করে নিজের ছবি বলে প্রচার করে এবং বিশেষ করে প্রবাসীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এবং এদের ভাষা অত্যন্ত আবেদনময়। এরা এখন চালু করেছে ‘ইমু সেক্স’। এই ইমু সেক্সের নামে এরা অনলাইন মিডিয়াকে করেছে কলুষিত। এরা এভাবেই বিশেষ করে প্রবাসীদেরকে তাদের শরীর দেখায় এবং বিনিময়ে ঘন্টামাফিক শরীর দেখিয়ে ওই প্রবাসীদের কাছ থেকে ৩ হাজার, ৫ হাজার, ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করে। ধীরে ধীরে ওই লোকটা এসব আকর্ষণে দিনের পর দিন তাদের পেছনে টাকা ঢালতে থাকে।

এভাবে একজন প্রবাসী তার পুরো মাসে অর্জিত টাকা এইসব ছলনাময়ীদের পেছনে ব্যয় করে অবশেষে তার স্ত্রী-সন্তান ও বাবামায়ের জন্য মাস শেষে কোনো টাকাই পাঠাতে পারে না।

আবার অনেকে এসব মেয়েদের পাল্লায় পড়ে তার যৌনজীবনকে কলুষিত করে। যৌন জীবনে নানা রোগের শিকার হয়। অনেকে এসব মেয়ের পাল্লায় পড়ে তার সারাজীবনের অর্জিত লাখ লাখ টাকা ধীরে ধীরে অবলীলায় ওইসব মেয়েদের হাতে তুলে দিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় রাস্তা রাস্তায় ঘুরে। যখন এসব মেয়েদের ধাপ্পাবাজির বিষয়টা বুঝে তখন আর ফেরার উপায় থাকে না।

দুঃখের বিষয় এসব অপকর্মকারীরা অত্যন্ত শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এরা তাদের অপকর্মের মাধ্যমে ফেইসবুক পেইজগুলো পর্যন্ত ভেরিফাই করে স্থায়ী করে নিয়েছে। এসব পেজে যে নারীদের ছবি আপলোড করা হয় ওইসব নারীরা জানে না যে, তাদের ছবি আপলোড করে ওইসব প্রতারক সিন্ডিকেট লাখ লাখ টাকা কামাই করছে।

এ বিষয়ে নাম না প্রকাশে একজন ভুক্তভোগী জানান, তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকায় পাশে স্ত্রী না থাকার সুবাধে এসব মেয়েদের পাল্লায় পড়ে তার অর্জিত সব টাকাই খুইয়ে এখন পথের ভিখারী। এছাড়াও তার এসব বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে যৌন রোগ হয়ে গেছে, যা অত্যন্ত কষ্টকর। দেশে এসে নিজ স্ত্রীর কাছে পর্যন্ত তাকে অপমান অপদস্থ হতে হচ্ছে। তিনি এখন পালিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, মূলত তিনি না জেনে না বুঝেই ইমুতে সেক্সকারী এসব মেয়েদের পাল্লায় পড়ে যে ভুল করেছেন, তা কখনোই শোধরাবার মতো নয়।

তিনি বলেন, এসব মেয়েরা ফেইসবুক সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবাসীদের পেছনে টাকার ধান্ধায় জোঁকের মতো লেগে থাকে এবং সফলও হয়।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এদের হাতে পড়ে আরো কোনো সহজ সরল মানুষ যাতে তার জীবনটা নষ্ট না করে সেজন্য সকলকে সচেতন হতে হবে এবং এসব ফালতু চাকচিক্যর মোহে না জড়িয়ে নিজকে সঠিক কাজে সময় ব্যয় করতে হবে।

আরেকজন প্রবাসী জানান, তিনি মাঝে মাঝে ফেইসবুকে সময় কাটান। একদিন তিনি দেখতে পান একটা মেয়ে তাকে ইমু সেক্স করবে বলে মেসেজ করেছে। তিনি না বুঝে ধীরে ধীরে ওই মেয়ের খপ্পরে পড়ে আজ সর্বস্বান্ত। আগে প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর দেশে আসতে পারতেন, কিন্তু ওই মেয়ের খপ্পরে পড়ে গত দুই বছর দেশের আসার অর্থও তিনি সংগ্রহ করতে পারেননি।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
333 জন পড়েছেন