ওসি সাকিলার মানবিকতায় বেঁচে গেল তিনজনের প্রাণ

0
33

জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর

দিনাজপুরে পুলিশের মানবিকতায় বেঁচে গেল সড়ক দুর্ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা মা-ছেলেসহ তিনজনের প্রাণ। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান বীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিলা পারভিন। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আহতরা হলেন- কাহারোল উপজেলার ঢিপিগুড়া গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. জুলুফা খাতুন (৩৪), একই গ্রামের মো. রেজাউল ইসলামের স্ত্রী মোছা. নাসরিন বেগম (৩০) এবং ছেলে মো. নাফিস (২)।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

জানা গেছে, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাড়ি নিয়ে মামলা-সংক্রান্ত কাজে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় যাচ্ছিলেন বীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিলা পারভিন। পথে কাহারোল উপজেলার দিনাজপুর-পঞ্চগড় সড়কের কান্তা বাণিজ্যিক খামারের সামনে দুই অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে রক্তাক্ত তিন যাত্রীকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এ সময় তিনি নিজেই আহতদের গাড়িতে তুলে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করান। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অর্থ দেন এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি আহতদের পরিবারকে অবহিত করেন।

এ বিষয়ে ওসি সাকিলা পারভিন বলেন, ঘটনাটি আমার থানার মধ্যে পড়ে না। তবুও তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎসক জানিয়েছেন- দেরি হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাদের বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হতো না।

তিনি বলেন, এটি আমি আমার দায়বদ্ধতা থেকেই করেছি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত জুলুফা খাতুনের বাম হাতের বাহুর উপরিভাগ কেটে ছুটে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অপর যাত্রী নাসরিন বেগম এবং তার শিশু ছেলে নাফিসের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝড়ে সারা শরীর ভিজে গেছে।

প্রকাশিত: ০৬:৫৭ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
158 জন পড়েছেন