মতলব উত্তরে চলছে হাসান মাস্টারের কোচিং বাণিজ্য!

0
41
কোচিং করা অবস্থায় শিক্ষার্থীরা

সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষিত

মতলব উত্তরে চলছে হাসান মাস্টারের কোচিং বাণিজ্য!

মতলব প্রতিনিধি :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মতলব উত্তর উপজেলার নন্দলালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসান বিএসসি বিদ্যালয়ে পাশে বাসা ভাড়া নিয়ে ইচ্ছেমতো কোচিং বা প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোচিং বা প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করছেন তিনি। ভোর থেকেই শিক্ষার্থীরা ছুটছে কোচিং, প্রাইভেট সেন্টারে। তার বাসা-বাড়িতেই প্রাইভেট বাণিজ্য চলছে হরহামেশা। সকাল-বিকাল ৮ম থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কোচিং পড়াচ্ছেন।

গত ১৪ ফেব্রয়ারী বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ৮ম শ্রেণীর কোচিং শেষ করে ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর কোচিং করাচ্ছে। নন্দলালপুর ছামাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রিয়াদ-১৭, আবু সাইদ-১২৮, শরীফ-৪৩, নাছির,রিফাত-১১৩, রিয়াদ-১১৫সহ প্রায় ১৫ জনকে হাসান স্যার ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত পড়াচ্ছেন। পরে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের কোচিং পড়াচ্ছেন। এ সময় সাংবাদিক গেলে শিক্ষার্থীরা বই খাতা রেখে পালিয়ে যায়। পরে খাতায় তাদের পরিচয় পওয়া যায়। তারা হলেন-৯ম শ্রেনীর তানজিলা আক্তার, আয়েশা আক্তার, ঋতু আক্তার, বিউটি আক্তারসহ আরো কয়েকজন।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা ৮ম শ্রেণীর জন্য প্রতিমাসে ৫শ’ টাকা ও ৯ম-১০ম শ্রেণীর জন্য ১ হাজার টাকা করে দেই। তারা আরো বলেন, সকাল ও বিকাল মিলে প্রায় ৪০জন শিক্ষার্থী স্যারের কাছে পড়ি। এবিষয়ে হাসান বিএসসি বলেন, সরকারী কোন নির্দেশ পাইনাই, তাই পড়াছি। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সারোয়ার হোসেন বলেন, আমি হাসান স্যারকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ও মিটিংএ বলেছি। তারপরও যদি সে কোচিং করে সেটা তার বিষয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাউয়ুম খান বলেন, আমার জানামতে কোচিংএর কোন দৃশ্য চোখে পড়েনি। তবে স্যারেরা প্রাইভেট পড়ায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নির্দেশনা আমরা পেয়েছি। অচিরেই কোচিং বাণিজ্যর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
142 জন পড়েছেন