“টাংগাইল, ধনবাড়ীতে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি”

0
26

সারা দেশের মতো নিয়ন্ত্রণহীন মাদকাসক্তি ধনবাড়ীবাসীকেও গ্রাস করেছে। শহর, পাড়া-মহল্লা ছাপিয়ে মাদকের ভয়াল থাবা এখন ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।
মাদকের মরণ নেশা তারুণ্য, মেধা, বিবেক ও মনুষ্যত্বকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। স্নেহ-মায়া-মমতা ও পারিবারিক বন্ধন বিনষ্ট করছে। মাদকাসক্ত সন্তানের হাতে মা-বাবাসহ প্রতিবেশীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

উচ্চবিত্তের পাশাপাশি এখন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েরাও মরণ নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও নেশার বেড়াজালে আবদ্ধ। অভিজাত নেশাদ্রব্য হিসেবে পরিচিত ইয়াবা ব্যবহার ধনবাড়ীতে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পৌর এলাকার বিভিন্ন উদ্যোগ করা হলেও মাদক সেবন থামছে না।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

মাদক সেবনে আর্থিক প্রয়োজনীয়তা মেটাতে তরুণরা বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে। গত বছর ২৪শে মে ২০১৮ সালে আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলেও তাদের কর্মকান্ড থেমে নেই।

মাদক বিক্রেতাদের নাম-পরিচয় সবার কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’ হলেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ নিয়ে এলাকার অভিভাবক, বাসাবাড়ির মালিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার মাদকমুক্ত দেশ গড়ার। কিন্তু আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হতে ধনবাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হারুনর রশিদ হীরা ( মাদক সম্রাট) এলাকার মানুষের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছে, যদি এই মাদক সম্রাট কে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাদকমুক্ত দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি হতে টাংগাইলের ধনবাড়ী উপজেলাবাসী বঞ্চিত হবে। স্থানীয় জনগণ এখন নির্বাক হয়ে তাকিয়ে আছে কেউ মুখ খুলতে পারছে না তার ক্যাডার বাহিনীর জন্য এবং সে নিজেও একজন বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীর খালাত ভাই।

টাংগাইল জেলা দুদক ( দুর্নীতি দমন কমিশন) এ তার নামে বিভিন্নরকম অভিযোগ থাকা সত্তেও মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে এখন শত কোটির মালিক হয়ে গেছে,তাই স্থানীয় প্রশাসন এখন তার নিকট জিম্মি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট ধনবাড়ী উপজেলাবাসীর পক্ষ হতে আকুল আবেদন মাদক সম্রাট হারুনর রশিদ হীরা ও তার ক্যাডার বাহিনীর হাত থেকে আমাদের কে রক্ষা করুন।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
156 জন পড়েছেন