কক্সবাজারে বান্ধবীসহ ধরা খেলেন সেই এএসআই

0
88

 

জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার :
ইয়াবা সংক্রান্ত অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় আবার ইয়াবা ও তরুণীসহ আটক হয়েছেন নিজামুল হক নামের সেই সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)।

http://picasion.com/

রোববার কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের রামুর পেঁচারদ্বীপ রেজুর ব্রিজ এলাকার যৌথ চেকপোস্টে কর্মরত বিজিবি সদস্যরা তাকে আটক করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৩ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

আটকের পর তরুণীসহ তাকে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ইকবাল হোসেন।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

নিজামুল হক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ইয়াবা-সংক্রান্ত ঘটনায় মাস দুয়েক আগে সাময়িক বরখাস্ত হন। নিজামুলের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা এলাকায়। তার সঙ্গে থাকা তরুণী হাসিনা আকতারের বাড়ি খাগড়াছড়ি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে এক নারীসহ মোটরসাইকেলযোগে কক্সবাজারের দিকে আসছিলেন নিজামুল হক। রেজুর ব্রিজ চেকপোস্টে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা তাকে থামিয়ে তল্লাশি করেন। তল্লাশিকালে তাদের কাছে ৩ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। নিজেকে পুলিশের এএসআই পরিচয় দেয়ায় চেকপোস্টে দায়িত্বরতরা তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

তিনি আরও জানান, খবর নিয়ে জানা গেছে নিজামুল হক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে ইয়াবা-সংক্রান্ত একটি ঘটনায় পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড ছিলেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাস দু’য়েক আগে সাময়িক বরখাস্ত হন।

এ অপকর্মের পরও অনুশোচনা বোধের পরিবর্তে নিজামুল তার বান্ধবী হাসিনাকে নিয়ে কক্সবাজার বেড়াতে যান। ফেরার পথে পূর্বের নিয়মে ইয়াবা কিনে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বান্ধবীসহ তাকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে রেখে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন।

প্রকাশিত: ০৯:১৭ পিএম, ১০ মার্চ ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
384 জন পড়েছেন
http://picasion.com/