diabeties herbs

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে ১০টি ভেষজ

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান :
ডায়াবেটিস আধুনিক যুগের এক আতঙ্ক ও উদ্বেগ। অথচ এটি মূলতঃ কোনো রোগ নয়। এটি আমাদের প্রত্যাহিক জীবনের খাদ্যাভ্যাসের নানাপ্রকার ত্রæটির ফলাফল। ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন-এর মতে, ২০১৬ সালে ডায়াবেটিসের কারণে প্রায় ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অথচ আমাদের একটু সাবধানতাই এই ভয়াবহতা থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারি।

ডায়াবেটিস কি?
ইনসুলিন হল এক ধরনের হরমোন যা অগ্নাশয় বা পেনক্রিয়াস নামক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। খাওয়ার পর খাদ্যনালী থেকে আত্মীকরণের মাধ্যমে গøকোজ রক্তে প্রবেশ করে এবং দেহের কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশের অপেক্ষা করে। রো ইনসুলিনের সাহায্য ব্যতিরেকে কোষের ভেতর প্রবেশ করতে পারে না।

Diabeties Cure
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযাগ করুন- হাকীম মিজানুর রহমান : 01742057854, 01777988889, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, চাঁদপুর। যোগাযোগ : সকাল দশটা হতে রাত দশটা। নামাজের সময় ব্যতীত। এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এই ইনসুলিন যখন সুগারকে কোষাভ্যন্তরে পৌঁছে দেয় তখন সুগার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং প্রয়োজনীয় শক্তি বা ক্যালরি সরবরাহ করে থাকে। কোনো কারণে যদি অগ্নাশয় প্রয়োজনীয় পরিমাণে ইনসুলিন নিঃসৃত করতে ব্যর্থ হয় অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন যদি ত্রæটিপূর্ণ হয় অথবা নিঃসৃত ইনসুলিনের তুলনায় শরীরের ওজন বেশি অর্থাৎ ইনসুলিনের আপেক্ষিক ঘাটতি দেখা দেয় তবে রক্তের সুগার কোষে প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে রক্তে সুগারের পরিমাণ বেড়ে যায়। একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রান্ত হলে সুগার প্রশ্রাবের সাথে বেরিয়ে যায়। ফলে প্রশ্রাবেও সুগারের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এই অবস্থাটিকে বলা হয় ডায়াবেটিস।

বর্তমানে আমাদের সমাজে বহু মানুষ এ সমস্যায় ভুগছেন। অথচ এর প্রতিকারের রয়েছে অনেক সহজ ভেষজ পন্থা। যার সাহায্যে এটি প্রতিরোধ ও প্রতিকার সহজ। সেই সঙ্গে সঠিক খাদ্যাভাসও একান্ত জরুরী।

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ উপাদানের কথা তুলে ধরছি। এসব প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে ধীরে ধীরে রক্তে গøুকোজের মাত্রা কমায়।

১. জাম : ডায়াবেটিস রোধে জাম খুব উপকারী। এটি শর্করাকে শ্বেতসারে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।

২. রসুন : রসুন ডায়াবেটিস-এর প্রতিকার ও প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ উপাদান। রসুনে অ্যালিসিন থাকে যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে দেয় না।

৩. কারী পাতা : প্রতিদিন সকালে যদি ৫-১০টি তাজা কারী পাতা খাওয়া যায়, তবে ডায়াবেটিস-এর প্রতিকার ও প্রতিরোধ সহজ।

৪. আম পাতা : টাটকা আমের পাতাকে একগøাস পানিতে সেদ্ধ করে সারারাত রেখে দিন। পরদিন সকালে পাতা ছেঁকে যদি সেই পানি পান করা যায়, তবে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

৫. আমলকী : গবেষণায় দেখা গেছে আমলকিতে বিদ্যমান পলিফেনলস ডায়াবেটিস এবং এর জটিলতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ফলের অক্সিডেটিভের উচ্চ রক্তের চিনির পরিমাণ রক্ষা করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

৬. করলা : রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে প্রাচীনকাল থেকেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার ব্যবহার হয়ে আসছে। করলার চা খেলে আপনি নিজের বøাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

Night King Sex Update
নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

৭. মেথি : এক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত সকালে মেথি খেলে ডায়াবেটিসজনিত সমস্যা দূর হয়। এর সঙ্গে স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। প্রতিরাতে শোবার আগে পানিতে ক’টি মেথির বীজ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ব্রাশ করার পর খালি পেটে ওই বীজগুলো খেয়ে ফেলুন।

৮. জামরুল ফল : এটি ডায়াবেটিস সারানোর জন্যে একটি অত্যন্ত উপকারি ফল। এর কিছু বীজ ধুয়ে শুকিয়ে, গুড়া করে পানির সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

৯. চিরতা : ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রæত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

১০. কালো জিরা : কালো জিরার তেল ও চূর্ণ ডায়াবেটিসের জন্যে উপকারী। নিয়মিত সেবনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এছাড়াও গবেষণায় প্রমাণিত, চিনি ছাড়া বø্যাক কফি পান করলে দু’ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকে না। গ্রিন চা রক্তে চিনি ও ইনসুলিনের মাত্রা কমায়।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে করণীয় : সকালে খালি পেটে ৩০ মিনিট এবং রাতে খাবারের পর ১০ মিনিট দ্রæত হাঁটবেন। দৈনিক চার গøাস কুসুম কুসুম গরম পানি পান করবেন। বøাড প্রেসার থাকলে নিয়মিত চেক করবেন।

বর্জনীয় : তেল-চর্বি জাতীয় খাদ্য এবং কোমল পানীয় বাদ দিতে হবে। ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন, ফার্স্টফুড এবং চিনি জাতীয় খাদ্য পরিহার করতে হবে।

পরামর্শ : প্রতিদিন ফল ও সবুজ সবজি খাবেন। যে কোনো ধরনের মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন। সঠিক সময়ে খাবার খান। অতিরিক্ত খাবার খাবেন না। সারাদিনে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন জাতীয় উপাদান বের করে। সর ছাড়া দুধ ও ডিম খান। তেল খেলে তা খুব অল্প পরিমাণে খাবেন। ফাইবার জাতীয় খাবার তালিকায় রাখুন। সম্ভব হলে দিনে দুইবার আপেলের রস খান।

ডায়াবেটিস হলে দেহের রোগ নিরাময় ক্ষমতা কমে যায়। তবে বর্ণিত বিষয় মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে হলে খাদ্যাভাস নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

লেখক পরিচিতি : হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান
মুঠোফোন : ০১৭৬২২৪০৬৫০
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, রামপুর বাজার গাউছিয়া টাওয়ার (৩য়তলা), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

Hakim Mizanur Rahman Ad
শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, পাইলস, মেছতা, ডায়াবেটিস, হার্টের ব্লক চিকিৎসায় যোগাযোগ করুন। কোনোপ্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়ৃাই ভেষজ ঔষধ ব্যবহার করে আরোগ্য লাভ করুন।
1,967 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন