ফরিদগঞ্জ ব্যবহারিক পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
টাকা না দেওয়ায় দেড় ঘন্টার পর পরীক্ষা শুরু

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি :

ফরিদগঞ্জের ব্যবহারিক পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবারের নির্ধারীত কৃষির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময়ে সুকদি রামপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার ব্যবহারিক পরীক্ষার কেন্দ্র ফি জমা না দেওয়ায় শিক্ষার্থীদেরকে দেড় ঘন্টা কেন্দ্রের বাহিরে অপেক্ষা করতে হয়েছে।

জানা গেছে সুকদি রামপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদুর রাজ্জাক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি একশত পচাত্তর টাকা হলেও শিক্ষার্থীদৈর কাছ থেকে ৫শ’টাকা করে সংগ্রহ করে। নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্র চান্দ্রা ছামাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় যথা সময়ে পরীক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কেন্দ্রের ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি জমা দিতে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এলাকা বাসী ও অভিভাবকদের চাঁপে মুখে দেড় ঘন্টার পরে পরীক্ষা নিতে বাধ্য হন কেন্দ্র সচিব মাওলানা মো: মহিব উল্যা।

এ বিষয়ে অভিভাবক আহছান হাবিব নেভী, মোফাজ্জল হোসেন মফু পাটওয়ারী, এইচ এম নুরুল আমিন, আবদুল হাই কালা পাটওয়ারী, মুক্তিযোদ্ধা আবু ছায়েদ, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবু তাহের জানান বিগত দিনেও এ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীরা হয়রানীর শিকার হয়েছে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় অনিয়মের দায়ে ২০১৭ সালে দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদির অভিভাবকরা দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে। এ বিষয়ে সুকদি রামপুর মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আবদু রাজ্জাকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষার্থীদের সাথে আসা অভিভাবকরা জানায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাওলানা আবদুর রাজ্জাক সবসময়ে অতিরিক্ত ফি আদায় করে থাকে এবং আজকে পরীক্ষাকালীন সময়ে কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের বিড়ম্ভনার মধ্যে ফেলে গাঁ ঢাকা দিয়ে চলে যান।

শিক্ষার্থী মো: আরিফ, মো: হাবিব উল্যা, মো: আজমুল, রেজবিউল, মেহরাজ, হাবিবুর রহমান জানান আমাদের চোখের সামনে অন্যান্য মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সকাল দশটা থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। কিন্তু আমাদের সুপার মাওলানা আবদুর রাজ্জাকের অনিয়মের কারনে আমরা সাড়ে এগারটায় পরীক্ষা শুরু করতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

প্রকাশিত : ০৭ মার্চ ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

366 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়