নারী মেম্বারের কান ছিঁড়ে ফেললেন চেয়ারম্যান

0
167

 

জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ :
সিরাজগঞ্জে ভিজিডি কার্ডের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে এক নারী ইউপি সদস্যকে মারপিট করে তার কান ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে চৌহালী উপজেলার উমারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আহত নারী ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুন নাগরপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, বুধবার দুপুরে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের সামনের চত্বরে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মতিন মণ্ডলের সঙ্গে নারী সদস্য আলেয়া খাতুনের ভিজিডি কার্ডের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

একপর্যায়ে চেয়ারম্যান ক্ষুব্ধ হয়ে নারী সদস্যকে বেধড়ক মারপিট করেন। এতে তার বাম হাত ভেঙে যায় এবং কানের লতি ছিঁড়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে টাঙ্গাইলের নাগরপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসাধীন নারী সদস্য আলেয়া খাতুন বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমার ওপর ইউপি চেয়ারম্যানের নজর পড়ে। নির্বাচনী এলাকার ভিজিডি কার্ডের ভাগ চাইলে চেয়ারম্যান আমাকে মারপিট করে বাম হাত ভেঙে এবং কান ছিঁড়ে দিয়েছেন। এ সময় আরেক ইউপি সদস্য আরফান আলী চেয়ারম্যানকে সহযোগিতা করেছেন। ভিজিডি কার্ডের ব্যাপারে বুধবার ইউএনও অফিসে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলেও জানান নারী সদস্য আলেয়া খাতুন।

এ ব্যাপারে আহত নারী সদস্যের ছেলে মিলন পাশা বলেন, আমার মাকে মারপিট ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান মতিন মণ্ডল ও তার সহযোগী ইউপি সদস্য আরফান আলীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হবে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান মতিন মণ্ডল বলেন, আমি একজন হাজি মানুষ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। এসবের প্রশ্নই আসে না। ভিডিজি কার্ডের কথা বলে ওই নারী সদস্যই জনসম্মুখে আমাকে কিলঘুষি দিয়ে জামার কলার ছিঁড়ে ফেলেছেন।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহা. আবু তাহির বলেন, ভিজিডি কার্ডের ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চৌহালী থানা পুলিশের ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই দুই পক্ষ দুই দিকে চলে গেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

প্রকাশিত: ০৭:৩৪ পিএম, ২৭ মার্চ ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
174 জন পড়েছেন