চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণেরর অভিযোগ উঠেছে এক কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত ১২ এপ্রিল দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহির উদ্দিন এ তথ্য জানান।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি উত্তর আমিরাবাদের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি পালাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

জহির উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনার দিন ওই ছাত্রীর মা বাসায় ছিলেন না। এই সুবাধে ওই দিন দুপুরে ছাত্রীর বাসায় গিয়ে হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে সাইফুল। এসময় মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। শিক্ষক সাইফুলকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাইফুল যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা বিমান ও স্থলবন্দরে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছি। আশা করি তাকে দ্রুত গ্রেফতার করতে পারবো।’

এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, সাইফুল ইসলাম কিছুদিন আগে উত্তর আমিরাবাদে সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খোলেন। তার অনুরোধে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের যোগসূত্র তৈরি হয়।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, ঘটনার আগের দিন বিশেষ কাজে আমার বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যাই। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক আটটার সময় সাইফুল আমাকে ফোন করে আমি কোথায় জানতে চায়। আমি না থাকায় সে আমার ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়েকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর গত বৃহস্পতিবার আমরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি।

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার : ০৮:৪৫ পিএম

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

420 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়