শ্বেতী রোগের স্থায়ী চিকিৎসা

0
82

আমাদের শরীরের ম্যালানোসাইট যখন মেলানিন তৈরি করা বন্ধ করে দেয়, তখন সেই জায়গাটি সাদা হয়ে যায়। একে শ্বেতী বলে। শ্বেতী রোগের নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা না গেলেও কিছু বিষয় এই রোগের প্রকোপ বাড়ায় বলে ধারণা করেন বিশেষজ্ঞরা।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

শ্বেতী রোগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ডা. মিজানুর রহমান। বর্তমানে তিনি ইবনে সিনা হেলথ কেয়ারে কর্মরত।

প্রশ্ন : কোনো কারণ কি জানা গেছে এই রোগের?

উত্তর : অনেক বিষয় রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কারণটা অজানা। অনেক ধারণা রয়েছে। ধারণার মধ্যে যেমন ইমিউনোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার রয়েছে, সেল্ফ ডিসট্রাকশন রয়েছে। এ রকম কিছু কারণ ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো নিয়ে কাজ করছি আমরা। থাইরয়েডের অস্বাভাবিকতা হলে এটি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে হতে পারে। পারিবারে কারো থাকলে হতে পারে। ইত্যাদি কিছু জিনিসকে কারণ হিসেবে ধারণা করা হয়।

তবে এটি কীভাবে হয়, এর গতি-প্রকৃতি কেমন, এগুলো সম্পর্কে আমরা খুব ভালো করে জানি। এই কারণে এর চিকিৎসা এখন অনেক ভালো।

প্রশ্ন : এর লক্ষণগুলো কী?

উত্তর : যেকোনো জায়গা সাদা দাগ হয়ে যাচ্ছে, তখন আমরা একে খুব সহজে ধরতে পারি। একটি লাইট দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদি তেমন কিছু পেয়ে যাই, তাহলে নিশ্চিত করা হয়। বায়োপসি করেও নিশ্চিত করা হয়। এটি চোখের দেখাতেই সবাই বুঝতে পারে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য উডস ল্যাম্পের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়।

এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য হতে শুরু করে এবং আক্রান্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেই সাথে ভবিষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আক্রান্ত না হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে।  সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

করণীয় :

কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে।

দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খাবেন।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

চিকিৎসা :

ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। Recap মলম লাগানো বা Vitiligo Natural ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ডাক্তার নির্দেশিত অন্যান্য ঔষধ প্রতিনিয়ত মালিশ করতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর Vitiligo Natural ও Vitiligo Remover ওষুধে কাজ হতে প্রায় ৬ মাস এমনকি দেড় থেকে ২ বছরও লাগতে পারে।

লক্ষ্য করুন :

– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

সুতরাং এ রোগ হবার সাথে সাথেই চিকিৎসা করা উত্তম।
এ রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে  নিম্নোক্ত ইমো বা হোয়াটঅ্যাপ নাম্বারে রোগীর শ্বেতী স্থানের সাদা হয়ে যাওয়া ছবি দিয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

মুঠোফোন :  

+88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650

+88 01834880825

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং  ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
247 জন পড়েছেন