ফরিদগঞ্জে নামাজরত অবস্থায় মসজিদের ইমামের উপর তিন নারীর হামলা

0
229

আনিছুর রহমান সুজন:
ফরিদগঞ্জে নামাজ পড়া অবস্থায় মসজিদের ইমামের উপর হামলা করেছে তিন নারী।

গত বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টার সময় উপজেলার ১৬নং রুপসা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ বাজারের মসজিদে ইমাম সায়েদ আহাম্মদের উপর এ ঘটনাটি ঘটে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সকালে ফজরের নামাজের শেষে সালাম ফেরার সাথে সাথে তিনজন নারী বোরকা পরা অবস্থায় মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করে। এবং ইমামের উপর মরিচের গুড়া ও লাঠি দিয়ে আঘাত করতে শুরু করে। সাথে সাথে মুসল্লিরা তিন নারীকে ধরে মসজিদে আটক করে রাখে।

হার্ট ও শিরার ব্লকেজ দূর করতে ব্যবহার করুন- কার্ডিওমেট। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, মুঠোফোন : 01762-240650

মসজিদের ইমামকে স্থানীয় লোক পার্শ্ববর্তী উপজেলার রায়পুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় লোকজন। পরিস্থিতি অবনতি দেখে পরে মসজিত কমিটির সভাপতির ছোট ভাই জাফর খাঁন নুরুল আমিনের মেয়ে বলে তাদেরকে ছেড়ে দেন। এ নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থার বিরাজ করছে।

নুরুল আমিন বলেন, মসজিদের ইমাম বহুদিন ধরে এলাকার কিছু বখাটে ছেলেদের নিয়ে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এ নিয়ে আমি মসজিদ কমিটির সভাপতির কাছে নালিশ করেছিলাম। কিন্তু কোন ফলাফল পাইনি। হামলার বিষয়ে স্বীকার করে তিনি বলেন, আমার মেয়েদেরকে ইমাম বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে; এটার বিচার তো কেউ করলো না। তারা আমার মেয়েকে ধরে মারধর করে দিয়েছে। আমরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।

এ বিষয়ে মসজিদের খতিব সিরাজ উল্যা বলেন, আমরা নামাজ পড়তে ছিলাম এমন সময় তিনজন নারী আমাদের উপর হামলা করেছে। মরিচের গুড়া ও লাঠি দিয়ে তারা হামলা করে। জানি না তারা আমাদের উপর কেন হামলা করেছে।

স্থানীয় লোকজন বলেন, আমাদের গ্রামের নুরুল আমিন মেয়েরা মসজিদের হুজুুরের উপরের করেছে। জাফর খান কিসের লোভে তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে জানি না। তাদেরকে পুলিশে দেওয়া উচিত ছিল। কারণ তারা জঙ্গিদের মতন মসজিদে ইমামের উপর হামলা করেছে। তাদের সঠিক বিচার না হলে, সমাজে অপরাধ আরো বেড়ে যাবে।

মসজিদের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ইমাম সাহেব নুরুল আমিনের মেয়েদেরকে বহুদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছে। নুরুল আমিন আমার কাছে বলেছে। আমি ইমামকে বলেছি আপনি এখান থেকে চলে যান। সে চলে গেছে এবং কিছুৃ দিন পর মসজিদের কিছু লোক তাকে আবার পুনরায় নিয়ে আসে। এনিয়ে আমি মসজিদে ইমামের পিছনে দুইমাস ধরে নামাজ পড়ি না। কিছু লোক তাকে সাপোর্ট দিয়ে এই কাজ করাচ্ছে। হামলার বিষয়ে তিনি শিকার করে বলেন, আমি পরীক্ষার কাজে বাহিরে আছি।

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার : ১১:১৪ এএম

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
189 জন পড়েছেন