হবিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের যৌন হয়রানিতে বই-খাতা ফেলে পালাল ছাত্রী

0
34

 

জেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জ :
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মোজাম্মিল হোসেন খান নামে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযাগ উঠেছে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযুক্ত মোজাম্মিল হোসেন খান স্থানীয় চৌধুরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল মঙ্গলবার অভিযুক্ত শিক্ষক মোজাম্মিল হোসেন খানের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। এ সময় তার অন্য সহপাঠীরা আসতে একটু দেরি করায় শিক্ষক মোজাম্মিল হোসেন খান তাকে একা পেয়ে তার স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়াসহ আরও বিভিন্ন ধরণের যৌন হয়রানি করেন। একপর্যায় মেয়েটি ভয়ে বই-খাতা ফেলে পাশের একটি বাড়িতে দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে মেয়েটির মা-বাবা ওই বাড়িতে ছুটে গেলে সে সবকিছু খুলে বলে।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ছাইফুল আলম জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মামুন খন্দকার জানান, অভিযোগের অনুলিপি পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চৌধুরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মিল হোসেন খান জানান, তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল চক্রান্ত করছে।

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার : ০১:১০ পিএম

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
103 জন পড়েছেন