চাঁদপুরে ভাসুরের ছুরিকাঘাতে প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মৃত্যুশয্যায়

0
112

মোঃ কামরুজ্জামান সেন্টু :
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ভাসুরের ছুরিকাঘাতে কোহিনুর বেগম (৩২) নামে এক প্রবাসী ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মৃত্যু শয্যায় পড়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় উপজেলার পৌর ১১নং ওয়ার্ডের ভাটুনিখোলা বেপারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত কোহিনুর বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়ির আবদুল খালেকের পুত্র জহিরুল ইসলাম (৪০) ও সালামত উল্যাহর পুত্র আরিফুল ইসলাম (৩৫) সম্পর্কে চাচাতো ভাই। জহিরের স্ত্রী লাকি আক্তার (২৬) তাকে ধার দেনা করে দু’বার প্রবাসে পাঠায়। সেখানে সে টিকতে না পারায় স্ত্রী লাকির সাথে বিবাদে জড়িয়ে তাদের সংসার বিচ্ছেদ হয়। তারপর বছর পেরিয়ে তালাকপ্রাপ্ত লাকিকে তার চাচাতো ভাই প্রবাসী আরিফের স্ত্রী কোহিনুর বেগম আপন ভাই সালেহ আহম্মদের সাথে বিবাহ দেয়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ওই বিবাহের পর হতে জহির কোহিনুরের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। রাগে ক্ষোভে সে বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যায়। মাঝে মাঝে সে এলাকায় এসে কোহিনুরের সাথে অসদাচরণ সহ হুমকি-ধমকি প্রদর্শণ করতো।

কোহিনুরের দেবর হাবিব জানান, ঘটনার রাতে জহির আমাদের বসত ঘরের পেছন দিয়ে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে আমার ভাবি কোহিনুরকে ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। ওই রাতে আমার ভাবি, তার ছেলে তারেক (১৪) ও মেয়ে মুক্তার (১১) ডাক চিৎকারে ঘুম থেকে উঠে আসি। ঘরে প্রবেশ করে ভাবিকে রক্তাক্ত অবস্থায় খাটে পড়ে থাকতে দেখি। মা ও মেয়েকে আহত করে বাড়িতে রক্ষিত ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আর ভাবির একটি মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায় ঘাতক জহির।

এ সংবাদ জানাজানি হলে শাহরাস্তি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থলে এসে আহতদের চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে স্বজনরা আহতদের প্রথমে স্থানীয় উয়ারুক মেডিল্যাব পাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজ ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে গুরুতর আহতাবস্থায় চিকিৎসাধিন রয়েছে।

জহিরের পিতা আঃ খালেক জানান, আমি অসহায়। আমার পুত্র জহির পরিবারের অবাধ্য। সে আমাকে ও আমার ছোট পুত্রকে কয়েক মাস পূর্বে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পালিয়ে থাকার কারণে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।

কোহিনুরের দেবর শরীফ মুঠোফোনে জানান, আহত কোহিনুরের অবস্থা আশংকাজনক। রক্তক্ষরণ এখনও চলছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ঘাতক জহিরের কঠোর বিচারের দাবী জানিয়েছেন।

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমকেজেড

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
217 জন পড়েছেন