পালিয়ে গেল বর-কনের লোকজন, ধরা খেলেন কাজি

0
27

 

জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা :
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বাল্য বিয়ে নিবন্ধন করার সময় সৈয়দ আব্দুল হাদি (৫৬) নামে এক কাজিকে (নিকাহ রেজিস্ট্রার) হাতেনাতে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

পরে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার মধ্যরাতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয় ।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত সৈয়দ আব্দুল হাদি উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের কোচাশহর গ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে। তিনি কোচাশহর ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রার হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করছেন।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে নাছরিন আকতারের (১৪) সঙ্গে শোলাগাড়ী গ্রামের জাফিরুল ইসলামের ছেলে আব্দুল মমিনের বিয়ের নিবন্ধন করতে আসেন কাজি সৈয়দ আব্দুল হাদি। এ সময় স্থানীয়রা ইউএনও এবং পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ইউএনও রামকৃষ্ণ বর্মন পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং বিয়ে নিবন্ধনের সময় কাজি সৈয়দ আব্দুল হাদিকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। এ সময় বর ও কনেসহ উভয় পক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামকৃষ্ণ বর্মন জানান, বাল্য বিয়ে নিবন্ধনের কারণে কাজি সৈয়দ আব্দুল হাদির নিকাহ নিবন্ধন বাতিলের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

প্রকাশিত: ০৯:৩৭ এএম, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
এমআরআর

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
166 জন পড়েছেন