mondir

বড় বিপদের ‘লক্ষণ’? উড়ে গেল পুরী মন্দিরের সেই পতাকা!

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

কোনও মারাত্মক বিপর্যয় নিয়ে কি ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণী? এমন আশঙ্কার মূলে রয়েছে একটিই কারণ। এখনও পর্যন্ত ফণীর দাপট শুরু না হলেও সামান্য ঝোড়ো হাওয়াতেই উড়ে চলে গেল ভারতের উড়্যিষ্যার পুরী জগন্নাথ মন্দিরের সেই বিখ্যাত পতাকা! যা অত্যন্ত অশুভ লক্ষণ বলেই মনে করছেন পুরী মন্দিরের পান্ডা থেকে শুরু করে ভক্তরা-সকলেই।

বহু পুরনো রীতি। ভক্তদের কাছে পুরী মন্দিরের এই পতাকা অত্যন্ত শুভ বলেই পরিচিত। সেই পতাকার মাপ এতদিন ছিল ১২ হাত। বিরাট আকারের সেই পতাকাই মন্দির চূড়ায় পতপত করে উড়ত। কিন্তু ফণী আসার পূর্বাভাস আসতেই প্রশাসনের নির্দেশে সেই পতাকার মাপ ১২ থেকে কমিয়ে ৫ হাত অর্থাৎ ১২ ফুট করা হয়। বুধবারই তা লাগানো হয় মন্দিরের চূড়ায়।

Night King Sex Update
নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01742057854, +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটে বিপর্যয়। সকাল ৮.৩৫ মিনিটে ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে সেই পতাকা উড়ে যায়। যা অত্যন্ত অশুভ লক্ষণ বলেই মনে করছেন সকলে। তবে, আজই বিকেলে ওই পতাকা আবার লাগানো হবে বলে জানা গিয়েছে মন্দির সূত্রে।

ফণীর কারণে ইতোমধ্যেই পুরী ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। পুরীর খুব কাছেই এখন অবস্থান করছে ব্যাপক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী।

প্রসঙ্গত, এই ঐতিহাসিক জগন্নাথ মন্দির ১০৭৮ সালে তৈরি হয়। ১১৭৪ সালে তা মেরামতির পর আজকের জগন্নাথ মন্দিরর রূপ ধারণ করে।

এই পুরী জগন্নাথ মন্দিরের কিছু অলৌকিক বৈশিষ্ট্য আছে বলে বিশ্বাস স্থানীয়দের।

মন্দিরের চূড়ায় যে পতাকাটি লাগানো রয়েছে তা সবসময় হাওয়ার বিপরীত দিকে ওড়ে।

সাধারণত দিনের বেলায় হাওয়া সমুদ্রের দিক থেকে তটের দিকে আসে। আর সন্ধ্যের সময় তটের দিক থেকে সমুদ্রের দিকে হাওয়া চলে। কিন্তু পুরীর ক্ষেত্রে তা ঠিক উল্টো। সকাল তটের দিক থেকে সমুদ্রের দিকে হাওয়া চলে, এবং সন্ধ্যায় সমুদ্রের দিকে থেকে তটের দিকে হাওয়া বয়।

কোনও পাখি বা বিমান পুরী মন্দিরের উপর দিয়ে উড়তে পারে না।

মন্দিরের সবচেয়ে বড় প্রাসাদটির ছায়া দিনের যে কোনও সময় অদৃশ্য থাকে।

মন্দিরের ভিতরে সিংহদ্বারের মন্দিরে প্রবেশ করার পর প্রথম সিঁড়িতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের আওয়াজ আর শুনতে পারবেন না। কিন্তু ওই সিঁড়িটি টপকে গেলে আবার সমুদ্রের শব্দ শুনতে পাবেন। সন্ধ্যাবেলায় এই বিষয়টি সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়।

সূত্র: এই সময়, ওয়ান ইন্ডিয়া

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার : ০৪:২৩ পিএম

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

562 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন