হাজীগঞ্জে গভীর রাতে দুটি গোডাউন পুড়ে ছাই

0
13

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের আগুনে দুটি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে পুরো মার্কেটসহ গোডাউনের ভিতরে থাকা সমস্ত মালামাল পুড়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন মার্কেটের মালিকপক্ষ ও ভাড়াটিয়ারা।

সোমবার দিবাগত রাত ৩টায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়েকর পাশে হাজীগঞ্জ পৌরসভাধিন টোরাগড় গ্রামে আল মদিনা আয়রণ ষ্টোর ও মেসার্স আব্দুল কাদের গাজীর ভাঙ্গারীর দোকান ঘর ও গোডাউনে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এলাকাবাসী জানায়, রাত ৩টার দিকে আল মদিনা আয়রণ ষ্টোর ও মেসার্স আব্দুল কাদের গাজীর ভাঙ্গারী দোকান ঘর ও গোডাউনে আগুনের লেলিহান দেখে এবং পোড়াগন্ধে মানুষের ঘুম ভাঙ্গে। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করে।

পরে তাদের সাথে যোগ দেয় শাহরাস্তি ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে গোডাউনের ভিতরে থাকা সমস্ত মামলাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত আল মদিনা আয়রণ ষ্টোরের সত্ত্বাধিকারী ইমান হোসেন জানান, আনুমানিক ১০-১২ লাখ টাকার মালামাল এবং তার গোডাউনে থাকা আউয়াল নামের এক ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্যারেট পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ মেসার্স আব্দুল কাদের গাজী স্টোরের সত্ত্বাধিকারী আবদুল কাদের গাজী জানান, তার গোডাউনে থাকা প্রায় ১২-১৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে যায়। ওই সময় তিনজন ব্যবসায়ী ক্ষতির কথা বলতে গিয়ে কেঁদে উঠেন।

এদিকে মার্কেটের মালিক টোরাগড় গ্রামের মৃত আ. ছাত্তারের তিন ছেলে কাজী মনির, কাজী জামাল ও কাজী কামাল হোসেন বলেন, আমাদের সাথে পূর্ব বিরোধ রয়েছে মালেক ফার্নিচার, মান্নান ফার্নিচার, তৈয়ব আলী ও আজাদ সরকারের সাথে। ইতোপূর্বে তারা এ ধরনের হুমর্কি দিয়েছে। আমাদের এ মার্কেটেই হচ্ছে তিন ভাইয়ের একমাত্র সম্পদ। আমরা প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করি যেন বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিসের লিডার আব্দুল গনি জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

প্রকাশিত : ০১ মে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমকেজেড

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
91 জন পড়েছেন