ধেয়ে আসছে ফণীঃ ৮ লাখ লোক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত

0
6

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্কঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্র প্রদেশে, উড়িষ্যা রাজ্যসহ পূর্ব উপকূলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। এই ঝড়ের কবল থেকে রক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে উপকূলীয় এলাকা থেকে অন্তত আট লাখ লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ঝড়ের প্রভাব থেকে জানমাল রক্ষায় প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও লোকজনকে সতর্ক করেছে প্রশাসন।
ভারতীয় আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার (৩ মে) বিকেলে উড়িষ্যা উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে সামুদ্রিক ঝড় ফণী। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় দুইশ’ কিলোমটারের বেশি থাকতে পারে।
ভারতের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঝড়ের গতিপথে থাকায় বৃহস্পতিবার (০২ মে) থেকে উড়িষ্যা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্তত আট লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কয়েক হাজার কর্মীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বিশেষ ত্রাণ কমিশনার বিষ্ণুপদ শেঠী জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মুখে থাকা লোকজনকে নিরাপদ সরিয়ে নিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। খোলা হয়েছে প্রয়োজনীয় আশ্রয় কেন্দ্র।
এদিকে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (নং-২৮) বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।
সকাল ৯টায় ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১ হাজার ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৯১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এই অবস্থায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

প্রকাশিত : ০২ মে ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমকেজেড

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
89 জন পড়েছেন