শরীরের অবাঞ্ছিত তিল জরুল আঁচিল দূর করার উপায়

0
839

 

তিল কোথাও কোথাও বিশেষ করে মুখে ভারী সুন্দর দেখায়, আবার তিল, জরুল বা আচিন সৌন্দর্যের হানি ও করে। জরুল বা আঁচিল এক সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে পড়ে এ ক্ষেত্রেও Thuja-12  ব্যবহার করা যেতে পারে।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

প্রতিদিন সকাল- বিকাল দশ ফোঁটা করে Thuja-12 সেবন করলে তিল, আঁচিল ঠিক হয়ে যায়।

এছাড়া মুখের তিল, দাগ, বাদামি (লিভার স্পট), গালের বা ত্বকের ছোট ছোট দানা, শক্ত খসখসে গুটলি বা আঁচিলও শিথিল হয়ে খসে পড়ে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

স্লেট পাথর বা অন্য কোন পাথরের ওপর সামান্য জল দিয়ে চন্দন এর মত ঘষে নিয়ে তিল বা আঁচিল এর ওপর দিনে দুবার লাগান, দুই সপ্তার মধ্যে তা শিথল হয়ে খসে পড়বে।

আদাকে টুকরো করে নিয়ে একটা টুকরোকে ছুঁচলো করে নিন। এবারে তিলের ওপর সামান্য চুন লাগিয়ে আদা দিয়ে ঘষতে থাকুন। একটু ফুলতে পারে হয়ত, কিন্তু আঁচিল বা তিল বিনা অপারেশনে খুলে বা কেটে পড়ে যাবে, কোন দাগও থাকবে না।

আঁচিলের কারণ লক্ষণ ও চিকিৎসা

ছোট বেলায় নানীর হাতের আঁচিল দেখে খুব অবাক হতাম; নাড়াচাড়া করতাম আর বলতাম, “এটা কী?” নানী বলতেন ওটার নাম আঁচিল। শরীরে আঁচিল থাকা নাকি সৌভাগ্যের ব্যাপার। এরকম ভুল ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যেই আছে। মূলত আঁচিলের সাথে ভাগ্যের কোন সম্পর্ক নেই।

আঁচিল একটি ভাইরাল ইনফেকশন। এ ধরনের ইনফেকশনে মৃত্যু ঝুঁকি তো নেই; তবে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়। সঠিক উপায়ে আঁচিলের চিকিৎসা করা না হলে এগুলো ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দেয়।

আঁচিল কী ?

শরীরের যেকোনো স্থানে, বিশেষ করে হাত ও পায়ের পাতায়, আঁচিল হয়ে থাকে। আঁচিল দেখতে ফুলকপি, শক্ত ফোস্কা বা খসখসে চামড়ার ন্যায় হয়ে থাকে। ভাইরাল ইনফেকশন, বিশেষ করে, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (human papillomavirus) বা সংক্ষেপে এইচ-পি-ভি (HPV) দ্বারা সংক্রমিত হলে ত্বকে আঁচিল হতে পারে। আঁচিলের চিকিৎসা করা না হলে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ত্বকে দশ ধরনের আঁচিল হতে দেখা যায়, তার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত আঁচিলটি ক্ষতিকর হয় না। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে আঁচিল ছোঁয়াচে হয়ে থাকে এবং কাঁটা-ছেঁড়া থাকলে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। আঁচিলের চিকিৎসা করানো না হলেও সাধারণত কয়েক মাসের মধ্যে আপনা আপনি ভালো হয়ে যায়। তবে একবার ভালো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় হতে পারে এবং কয়েক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। আঁচিল কন্ডিলোমা (Condyloma) নামেও পরিচিত।

আঁচিল হওয়ার কারণ কী ?

নিম্নলিখিত কারণে এ লক্ষণ দেখা দিতে পারে-

ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
মানুষের শরীর থেকেই আঁচিল ছড়িয়ে পড়ে। আঁচিল আছে এমন মানুষের সংস্পর্শে আসলে আঁচিল হতে পারে।
আঁচিল আছে এমন মানুষের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করলে। যেমনঃ তোয়ালে।
আঁচিল আছে এমন মানুষের নখের আঁচড়ে আঁচিল হতে পারে।
মেকআপ বা শক্তিশালী ক্যামিকেলের জিনিসপত্র ব্যবহার করলে আঁচিল হতে পারে।
এছাড়াও ত্বকের পলিপ, ত্বকের ক্যান্সার, স্কিন ডিজঅর্ডার, ব্রণ, কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস, সেবোরিক কেরাটোসিস এবং মোলাস্‌কাম কন্ট্যাজিওসামের কারণে আঁচিল হতে পারে।

কোন কোন ব্যাপারগুলো আঁচিল হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করে ?

যেকোনো বয়সে আঁচিল হতে পারে। তবে শিশু ও তরুণদের ক্ষেত্রে আঁচিল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আঁচিলের চিকিৎসা করানো না হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আঁচিল হতে পারে।

এইডস ও অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কারণে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লে আঁচিল হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
আঁচিল কি ছোঁয়াচে হতে পারে?

আঁচিল ছোঁয়াচে হতে পারে। ত্বকের সংস্পর্শে, এমনকি একই তোয়ালে বা তৈজসপত্র ব্যবহারে আঁচিল হতে পারে।

যৌনাঙ্গে আঁচিল হলে কী হয়?

যৌনাঙ্গে আঁচিল হলে অনিরাপদ যৌনমিলনের সময় তা খুব সহজে একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াতে পারে। মহিলাদের যোনীপথে আঁচিল হতে পারে এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি টের পাওয়া যায় না। ফলে আঁচিলের চিকিৎসা না করা হলে যৌনমিলনের সময় তা অজান্তেই অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

ত্বকে আঁচিল হলে কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে?

দুই বা একমাসের মধ্যে আঁচিল ভাল না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কেননা, ত্বকে একটি আঁচিল থেকে আরেকটি আঁচিল হতে পারে। এ অবস্থায় ঔষধের সাহয্যে আঁচিলের চিকিৎসা করা হয় বা অপারেশনের মাধ্যমে আঁচিল অপসারণ করা হয়।

আঁচিল হলে করণীয় কী ?

আঁচিল প্রতিরোধে করণীয়-

ত্বকে আঁচিল দেখা দিলে তা হাত দিয়ে স্পর্শ করা উচিৎ নয় ও একই সাথে ঐ স্থানে যাতে কোনো রকম আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

নখ দিয়ে আঁচিল খোঁচানো যাবে না। এতে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

হাত সবসময় পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখতে হবে।

আঁচিল দূর করার উপায়ঃ
চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আঁচিল দূর করা হয়। এটাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

কিছু টিপস এবং সতর্কতা :
একটু সময় লাগলেও ধৈর্য্ ধরে চর্চা করুন।

আঁচিল কখনই খোঁচাখুঁচি করবেন না। এতে রক্তপাত হবে এবং পুনরায় ওই স্থানে আঁচিল হবে।

আঁচিল সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে, যদি রিমুভ করতে চান সেক্ষেত্রে  চিকিৎসকের সাহায্য গ্রহণ করুন।

আঁচিল চিকিৎসায় ভালোমানের এক কোর্স ঔষধ ১২০০/- টাকা। আপনি ঘরে বসে অর্ডার করলেই পৌঁছে যাবে আপনার কাছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম মুহাম্মদ মিজানুর রহমান (বিএসএস, ডিইউএমএস)

মুঠোফোন : +88 01777988889 (Imo-whatsApp)

+88 01762240650, 01742057854

( যোগাযোগ : সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ১টা এবং দুপুর ৪টা থেকে রাত ৮টা, নামাজের সময় ব্যতীত)

ফেইসবুক পেজ : web.facebook.com/ibnsinahealthcare

সরাসরি যোগাযোগ : IBN SINA HEALTH CARE, Hazigonj. Chandpur.

ই-মেইল : ibnsinahealthcare@gmail.com

শ্বেতীযৌনরোগহার্পিসপাইলসডায়াবেটিস,  অ্যালার্জি, লিকুরিয়াব্রেনস্ট্রোক, হার্ট ও শিরার ব্লকেজউচ্চ রক্তচাপ,হার্ট অ্যাটাকচর্মরোগক্যান্সার, আইবিএস, বাত বেদনা জন্ডিসলিভার সমস্যাস্ত্রী রোগআইবিএস, বন্ধাত্ব, গাউট, পক্ষাঘাত, স্বপ্নদোষ নিরাময়-সহ সর্বরোগের চিকিৎসা করা হয়।

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
185 জন পড়েছেন