চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

0
24

 জেলা প্রতিনিধি  টাঙ্গাইল :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডা দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাস চালক হাবিবুর রহমান নয়ন (২৮), হেলপার মো. খালেক ভুট্টো (২৩), আশরাফুল (২৬) ও সুপার ভাইজার রেজাউল করিম জুয়েল (৩৮)। এর মধ্যে রেজাউল করিম জুয়েল পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ পিপি নাসিমুল আক্তার নাসিম। তাকে সহায়তা করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ।

বিশেষ পিপি নাসিমুল আক্তার নাসিম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এছাড়াও বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেভাবে গণধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে এ রায় পরিচালিত গণধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে অনেকটাই প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে।

তবে এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবী শামীম চৌধুরী দয়াল বলেন, এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ন্যায় বিচারের স্বার্থে এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানান তিনি।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল কালিয়াকৈরের মৌচাকে কর্মরত এক নারী পোশাক শ্রমিক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে ভোর ৫টার দিকে ‘বিনিময় পরিবহনের’ একটি বাসে কালিকৈরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এ সময় বাসে যাত্রী না থাকার সুযোগে বাসটি কিছুদূর যাওয়ার পর সুপার ভাইজার বাসের জানালা-দরজা বন্ধ করে দেন। পরে বাস চালক হাবিবুর রহমান নয়ন তাকে ধর্ষণ করে।

এরপর পালাক্রমে বাসের সুপার ভাইজার ও হেলপারও ধর্ষণ করে। পরে বাসটি ঢাকা না গিয়ে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ রোডের একটি ফাঁকা জায়গায় ওই নারীকে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই নারী তার স্বামীকে বিস্তারিত জানালে তার স্বামী তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় ৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাসের চালক, হেলপার ও সুপার ভাইজারকে গ্রেফতার করে। তদন্ত শেষে চারজনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ছয়জনকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

 প্রকাশিত: ০২:১৭ পিএম, ২২ মে ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
123 জন পড়েছেন