এক নারীর গর্ভের সন্তানের বাবা দাবি দুই যুবকের! এলাকায় তোলপাড়

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

ছয় মাসের ব্যবধানে দুইবার স্বামী পরিবর্তন করে বিপাকে পড়েছেন বধূ নাজমা বেগম। বর্তমানে তিনি গর্ভবর্তী।

কিন্তু গর্ভে থাকা সন্তানের পিতা কে? এ নিয়ে সাবেক এবং বর্তমান স্বামীর মধ্যে শুরু হয়েছে লড়াই।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনাটি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হলেও সমাধান আসেনি। নাজমা বেগম উপজেলার পুরাপাড়া ইউনিয়নের গোয়ালদি গ্রামের আলমগীর কাজির মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার জুনাসুর গ্রামের বাদশা লস্করের ছেলে ছাবু লস্করের সঙ্গে নাজমা বেগমের বিয়ে হয়। দীর্ঘ সংসার জীবনের পর ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট ছাবুকে তালাক দেন নাজমা।

নিজ গ্রামের লাল মোল্লার ছেলে হেলাল মোল্লার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থেকে ২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর নাজমার বিয়ে হয়। সংসার টেকে মাত্র দুই মাস। চলতি বছরের ১ মার্চ নাজমা হেলালকে তালাক দেন।

আবার আগের স্বামী ছাবুর সঙ্গে সংসার শুরু করেন। সম্প্রতি নাজমা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এখন হেলাল দাবি করছেন এই সন্তান তার। অন্যদিকে ছাবুও বলছেন এই সন্তানের জনক তিনি। বিষয়টির সমাধান করতে গ্রাম্য সালিশদাররা বৈঠকে বসে। কিন্তু সমাধান হয়নি।

হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, নাজমার গর্ভের সন্তান আমার। কারণ নাজমা আগের স্বামীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করার পর অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে।

অন্যদিকে ছাবু বলছেন, হেলাল যেচে আমার সঙ্গে দ্বন্দ্ব করছে। নাজমা তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করেছে। আদালত এর সমাধান করবে।

তবে সাংবাদিকদের কোনো বক্তব্য দেননি নাজমা বেগম।

প্রকাশিত : ১০ জুন ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

320 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়