জিন তাড়ানোর ছলে মুয়াজ্জিন নিজেই হয়ে গেলেন জ্বিন

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জিন তাড়ানোর ছলে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় রুহুল আমিন (৩৫) নামে এক মুয়াজ্জিনকে শুক্রবার (২১জুন) দুপুরে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বড়কা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) এএইচএম লুৎফুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এর আগে ওই শিশুর মা বাদী হয়ে গত সোমবার (১৭ জুন) মুয়াজ্জিন রুহুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। শিশুটি উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযুক্ত রুহুল আমীন উপজেলার কুতুবপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলা সদরে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,‘গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে ওই মুয়াজ্জিন মেয়েটির বাড়িতে যায়। এ সময় ওই মেয়েটিকে জিনে ধরেছে এবং তাকে ঝাড়ফুঁক দিয়ে জিন তাড়াতে হবে বলে তার পরিবারকে জানান। পরে মেয়েটিকে আলাদাভাবে একটি ঘরে নিয়ে ঝাড়ফুঁক দেওয়ার ছলে তার চোখে-মুখে সরিষার তেল ঢেলে দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ সময় মেয়েটির চিৎকারে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে যায়। তখন ওই মুয়াজ্জিন দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটকে গণপিটুনি দেয়। পরে স্থানীয় মাতাব্বরদের সহযোগিতায় মুয়াজ্জিন পালিয়ে যায়।

সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) এএইচএম লুৎফুল কবির বলেন,‘ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

 

প্রকাশিত : ২২ জুন ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমআরআর

312 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়