স্কুল পরিদর্শনে এসে ‘ছেলেধরা’ গুজবের শিকার শিক্ষা কর্মকর্তা

0
457

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

http://picasion.com/

প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা তাপস পাল ‘ছেলেধরা’ গুজবের শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে নগরীর উত্তর কাট্টলী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে অভিভাবকদের সন্দেহের কবলে পড়েন এডিপিও তাপস পাল।

তবে স্কুল কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সহযোগিতায় পরে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পান।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, গত রোববার উত্তর কাট্টলী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ৪ জন শিক্ষার্থীর মাথা সংগ্রহ করা হবে বলে এলাকায় একটি গুজব রটে।

সোমবার সকালে স্কুলে আসেন শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস পাল। এসময় অচেনা মানুষকে স্কুলে প্রবেশ করতে দেখে একের পর এক অভিভাবকরা এসে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা স্কুল কার্যালয়ের সামনে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে। ঘটনার কথা জানতে পেরে অন্যান্য অভিভাবকরাও স্কুল কর্তৃপক্ষকে ফোন করতে শুরু করে।

এ সময় ওই শিক্ষা কর্মকর্তা ছেলের মাথা নেওয়ার ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি করছে বলেও গুজব রটিয়ে দেয়া হয়। এমন পরিস্থিতিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে এ ঘটনার কথা জানায়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিভাবক আওয়ামী লীগ নেতা আবু সুফিয়ান জানান, স্কুলে শিশুর মাথা নিতে লোকজন আসবে বলে গুজব রটে। এমন পরিস্থিতিতে স্কুলে ওই শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে অভিভাবকরা গুজবের ঘটনাকে সত্য মনে করে সন্দেহ করতে থাকে। ঘটনার কথা শুনে আমি স্কুলশিক্ষককে ফোন করি।

তিনি বলেন, স্কুলশিক্ষক আমাকে পুরো ঘটনা জানান এবং তাড়াতাড়ি স্কুলে আসতে বলেন। আমি যখন স্কুলে আসি তখন দেখি করিডরে থেকে ওই শিক্ষা কর্মকর্তা অভিভাবকদের শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। পরে পাহাড়তলী থানার ওসিকে ফোন করলে তিনি একজন এসআই ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য পাঠান। ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে অভিভাবকরা কিছুটা শান্ত হন। কিন্তু তাদের সন্দেহ কমে না। পুলিশের উপস্থিতিতে পরবর্তীতে স্কুল ছুটি হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ঘটনার ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুজব রটিয়ে ঘটনা সৃষ্টি করার চেষ্টা হতে পারে। পরে থানার ওসি এসে ক্লাসে ক্লাসে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়েছেন। এ বিষয়ে সমাবেশ করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হবে।

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
214 জন পড়েছেন
http://picasion.com/