দিনরাত পুরুষের যৌন চাহিদা মেটানোই তাদের কাজ

0
1336

 

 

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

প্রশ্নটা করতেই যেন ঝড় ধেয়ে এল। সে ঝড়ের একদিকে গ্লানি, অন্যদিকে ক্ষোভ। আরেকদিকে যেন মিশে রয়েছে প্রচ্ছন্ন ‘অহংকার’!

কিন্তু সমাজ থেকে এভাবে বঞ্চিত হয়েও কিসের ‘অহংকার’ তাদের? মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করলো কথাগুলো।

তাদের অহংকার খদ্দেরের অতৃপ্ত যৌনচাহিদা পুষিয়ে দেওয়ার। খদ্দেরের স্বপ্নের নায়িকার মত চাহিদা যৌন মেটানো, যা ঠিক সাধারণরা পারে না। আর সেখানেই সবার থেকে আলাদা হওয়ার অহংকার তাদের!

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এ চিত্র এশিয়ার সর্ববৃহৎ যৌনপল্লী পশ্চিমবঙ্গের সোনাগাছির। কেউ এসেছেন বাধ্য হয়ে দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে মুক্তি পেতে, কেউ আবার স্বেচ্ছায় এ পেশা বেছে নিয়েছেন। দিনে ৭-৮ জন থেকে ভালো সময় কখনও কখনও ১০-১২ জন খদ্দেরকে তুষ্ট করে তারা। বিকৃত যে যৌনচাহিদার কথা কাউকে বলা যায় না, টাকার বিনিময়ে এখানে চলে সেই সুখ কিনে নেওয়া।

বিয়ে সংসার হয়নি বা বিপত্নীক, ঘরে অশান্তি এমন অতৃপ্তি মেটাতেই খদ্দেররা আসেন এই পল্লীতে। যৌনপল্লী সোনাগাছি থেকে বিশ্বের যে কোনো রেডলাইট এলাকার ছবি মোটামুটি একই। দুনিয়ার মধ্যেই এক অন্য দুনিয়ায় বাস তাদের।

দিনে তিনবার গোসল। আর প্রত্যেকবার গোসলের মাঝে চার থেকে পাঁচজন করে খদ্দের। ঘুপচি কুঠুরিতে রাতগুলো অনেক লম্বা। কিন্তু দিনটা ভীষণ ছোট বলেন ১৩ বছর বয়সে সোনাগাছিতে আসা বিউটি।

তিনি বলেন, যখন খুব কষ্ট হত, মুখে মেকআপ করে নিতাম। তাহলেই যেন আমি অন্য মানুষ। এভাবেই দিন চলছিল বিউটির। দিন চলে আরও কয়েকশ বিউটির। তারপর কোনো একদিন এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাত ধরে কখনও কখনও এই নরক থেকে মুক্তি মেলে তাদের। আর কখনও কখনও জানালার গারদের শিক ধরে দাঁড়িয়েও খদ্দের খোঁজেন ৬০ বছরের অশক্ত শরীরটা। জিনিউজ।

যেভাবে সোনাগাছি পতিতাপল্লীতে বিক্রি হয় বাংলাদেশি মুন্নি

একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত একটি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গরাজ্যের কলকাতার সোনাগাছি পতিতাপল্লীর নাম। একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ওই তথ্যচিত্রটি সোনাগাছির যৌনকর্মী মুন্নির জবানবন্দি থেকে তৈরি হয়েছিল।

তথ্যচিত্রটির জন্য দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুন্নি জানিয়েছেন, তার সোনাগাছি জীবনের অভিজ্ঞতার কথা। তিনি কীভাবে এখানে এসে পৌঁছেছেন সেসব কথা।

মুন্নি বাংলাদেশের মেয়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সে তাকে সোনাগাছিতে নিয়ে আসা হয়। তিনি পতিতাপল্লীর এক নারী সর্দারের কাছে এসে ওঠেন; তিনিই মুন্নির ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেন। এর বিনিময়ে মুন্নি বাধ্য হয় যৌন পেশায় নাম লেখাতে।

মুন্নি বলেন, তাকে রাজপুত্রের মত দেখতে একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে কলকাতায় নিয়ে আসা হয় এবং শহরে নিয়ে এসে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

মুন্নি আরো বলেন, সোনাগাছিতেও এখন মারাত্মক পেশাদারি প্রতিযোগিতা। অনেক মেয়ে এসে হাজির হচ্ছে এশিয়ার এই বৃহত্তম ও অন্যতম প্রাচীন রেডলাইট এরিয়ায়। যৌন পেশায় রোজগার করা এখন রীতিমতো কঠিন। তার মতে, সব পেশার মানুষই সোনাগাছিতে আসে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কলেজছাত্র, উকিল, ট্যাক্সিচালক, বিবাহিত পুরুষরাই ভিড় জমায় এখানে।

প্রকাশিত : ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
267 জন পড়েছেন