পেটে মেদ বাড়ার ৬টি কারণ ও প্রতিকার

0
950

 

হাকীম মিজানুর রহমান :
মানব দেহের মধ্যে সব থেকে তাড়াতাড়ি মেদ জমে পেটে। আর এই মেদ থেকে মানব দেহে সৃষ্টি হয় নানা রোগ। হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপের মতো অসুখের সূত্র পেটের এই মেদ থেকেই। যাকে সাধারণ ভাবে বলা হয় ‘বেলি ফ্যাট’।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

শুধুমাত্র খাওয়া দাওয়াই নয়, বেলি ফ্যাট হতে পারে আরও নানা কারণে। দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে।

১. সারা দিনে ঘুরতে ফিরতে, কাজের ফাঁকে কিছু-না-কিছু খাওয়া হয়েই যায়। কিন্তু এই খাবারগুলি মুখরোচক স্ন্যাক্স হলেই গন্ডোগোল। ফাস্ট ফুড খেতে ভাল হলেও স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ঠিক নয়। তার বদলে যদি ফল, আমন্ড বা স্যালাড খাওয়া যায়, তাতে উপকার হবে।

২. দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ এতে যে ‘গুড ব্যাক্টেরিয়া’ থাকে, তা হজমে সাহায্য করে। ফলে পেটে মেদ বাডা়র সুযোগ হয় না।

৩. করনেল ইউনিভারসিটির বিশেষজ্ঞদের মতে, নেগেটিভ ইমোশান থাকলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়। যা শরীরে পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

৪. আমরা অনেকেই সফট ড্রিঙ্কস পান করে থাকি। এতে অত্যাধিক ক্যালোরি রয়েছে যা শরীরে মেদ বাড়িয়ে দেয়।

৫. রোগা হতে গিয়ে অনেকেই খাওয়াদাওয়া কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, খাবারের পরিমাণ কমালে সমস্যা নেই। কিন্তু, বেশি ক্ষণ না খেয়ে থাকলেও পেটে মেদ জমে।

৬. অফিসে বা অন্য কোনও কাজ করার সময় এক ভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলেও বেলি ফ্যাট বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি এক থেকে দেড় ঘণ্টা অন্তর নিজের সিট থেকে উঠে খানিক হাঁটাচলা করা উচিত।

পেটের মেদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে অনেকেই। শরীরের এই অংশে মেদ বেশ অস্বস্তিকর এবং এতে সৌন্দর্যহানি ঘটে। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে কিন্তু পেটের মেদ ঝাড়ানো সহজ হয়।

পেটের মেদ কমাতে ব্যায়াম, সঠিক ডায়েট তো অবশ্যই করতে হবে, তবে পাশাপাশি পান করতে পারেন একটি পানীয়। আনারস ও শসা দিয়ে তৈরি এ শক্তিশালী পানীয়টি দ্রুত পেটের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

আসলে আনারস বেশ উপকারী একটি ফল। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বক ভালো রাখে, অ্যাজমা প্রতিরোধ করে, উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করে, হাড় শক্ত করে, হজমে সাহায্য করে, প্রদাহ কমায় এবং শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

আর সবজি হিসেবে শসাও বেশ উপকারী। এটি জয়েন্ট ব্যথা কোলেস্টেরল ও পানিশূন্যতা কমায়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে, হজম ভালো করে, মাথাব্যথা প্রতিরোধ করে।

পেটের মেদ কমাতে আনারস ও শসার পানীয় তৈরির প্রণালি জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট কিং ডেমিক।

যা লাগবে

১. দুটি আনারসের টুকরা (বড়)

২. একটি মাঝারি আকারের শসা

যেভাবে তৈরি করবেন

উপাদানগুলো কেটে ব্ল্যান্ডারে দিন। এর মধ্যে এক গ্লাস পানি দিয়ে ব্ল্যান্ড করুন। সকালে খালি পেটে, নাস্তা করার ৩০ মিনিট আগে পানীয়টি পান করুন। সাত দিন এক কাপ করে পানীয়টি পান করুন। এরপর এক সপ্তাহ বিরতি দিন। এরপর থেকে সপ্তাহে দুই বার পানীয়টি পান করুন। এ পানীয়টি মেদ ঝাড়ানোর পাশাপাশি দেহের মিনারেলের ভারসাম্য ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে।

তবে যাদের কিডনিতে পাথর, ব্লাডারে সমস্যা অথবা আলসার রয়েছে তারা এই পানীয়টি এড়িয়ে যান। তারা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন Cap D-fat ও Nemo plus Syp. এটা দীর্ঘ তিন মাস খেলে মেদ-চবি ঝরে যায়।

ঔষধগুলো অনলাইনে অর্ডার দিয়ে আপনি যে কোনো জেলায়ই পেতে পারেন।

যোগাযোগ :

হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, চাঁদপুর।

+88 01762240650

+88 01777988889

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
250 জন পড়েছেন