বাড়ি থেকে ডেকে এনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করল কনস্টেবল

0
285

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

 

রংপুর জেলায় কর্মরত আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর মা বাদী হয়ে ওই পুলিশ সদস্য ও তাকে সহায়তাকারী আমিনুল ইসলামকে আসামি করে গত বুধবার গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

১৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার অভিযোগটি থানায় এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং বিকেলে কলেজছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

আবু বক্কর সিদ্দিক গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউপির পশ্চিম বারবলদিয়া বেকাটারী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে এবং আমিনুল একই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

কনস্টেবল আবু বক্কর সিদ্দিক ওই কলেজছাত্রীর প্রতিবেশী। সিদ্দিক ওই কলেজছাত্রী সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়তে মাঝে মাঝেই মোবাইল ফোনে কথাবার্তা বলতো। এরই মাঝে সিদ্দিক ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি এসে কলেজছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ১১ আগস্ট প্রতিবেশী কফিল উদ্দিনের ছেলে ফেরদৌস মিয়ার স্ত্রীর সহযোগিতায় তার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে।

একইভাবে ১৩ আগস্ট মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ওই কলেজছাত্রীকে ডেকে এনে তার বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে সিদ্দিক। উভয় ঘটনায় আমিনুল ইসলাম সহযোগিতা করে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ওই কলেজছাত্রী লোক লজ্জায় বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ওইদিন রাতে তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই কলেজছাত্রী মা অভিযোগ করে বলেন, আবু বক্কর সিদ্দিক পুলিশ সদস্য হওয়ায় সে ও তার লোকজন মামলা না করতে নানা রকমের হুমকি দিয়ে আসছিল। ১৪ আগস্ট থানায় অভিযোগ দেয়ার পর বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে ধর্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে থানা পুলিশ ও বিভিন্ন মহলে দেন দরবার করে মামলা রেকর্ডে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

তিনি আরো বলেন, আমার মেয়েকে ধর্ষণের বিচার চাওয়ার ব্যাপারে আমি অটল থাকায় গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ওসি শাহরিয়ার সব বাধা উপেক্ষা করে ১৫ আগস্ট অভিযোগটি এজাহার হিসেবে লিপিবদ্ধ করেন। তিনি (ধর্ষিতার মা) বলেন, মামলা হওয়ার পর পরেই আমাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষক পরিবার মিথ্যা মামলা দেবে বলে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, প্রাথমিক তদন্ত শেষে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। কলেজছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মামলায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেফতারের জন্য বিভাগীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
161 জন পড়েছেন