স্ত্রীর তালাক পেয়ে ইন্টারনেটে নগ্ন ছবি ছড়ালেন স্বামী!

0
2437
প্রতীকী ফাইল ছবি

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

স্ত্রীর তালাক পেয়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছেন স্বামী।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সন্তানের কথা গোপন করে বিয়ে করায় দ্বিতীয় স্ত্রী মিরাজ হোসেন নামে ওই যুবককে তালাক দিয়েছিলেন।

আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওই স্ত্রীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দিয়েছেন মিরাজ।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ঘটনাটি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার। এ নিয়ে ২০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী ওই নারী মিরাজ হোসেনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন। এ মামলায় শনিবার রাতে মিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে।

মিরাজের বাড়ি উপজেলার শ্যামপুরহাট মনোপাড়া গ্রামে।

এ ব্যাপারে মোহনপুর থানার ওসি মোস্তাক আহমেদ জানান, স্ত্রী-সন্তান থাকলেও দুই বছর আগে উপজেলার হরিহরপুর গ্রামে আরেকটি বিয়ে করেন মিরাজ। এ নিয়ে সংসারে বিবাদ লেগেই থাকতো। মিরাজ তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতনও করতেন। তাই দুই মাস আগে দ্বিতীয় স্ত্রী মিরাজকে তালাক দেন।

তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মিরাজ। এনিয়ে তিনি মুঠোফোনে প্রায়ই বিরক্ত করতেন। সর্বশেষ গত ৫ আগস্ট মিরাজ তার দ্বিতীয় স্ত্রীর কয়েকটি নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেন। এ নিয়ে শনিবার রাতে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে রাতেই মিরাজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওসি জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী সংসারে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনে ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। এসব ছবি নিয়ে মিরাজ তার স্ত্রীকে ‘জিম্মি’ করে রাখার চেষ্টা করতেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন।

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
393 জন পড়েছেন