ফরিদপুরে ব্রিজে বাঁশের রেলিং ছিল

0
27

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্কঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলার ধুলদীতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। এতে আটজন নিহত হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ব্রিজটি ছিল জরাজীর্ণ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একে পরিত্যক্ত ঘোষণাও করা হয়। এর রেলিংয়ে ছিল বাঁশ। তারপরও বিকল্প সড়ক না রেখে পাশে আরেকটি ব্রিজ তৈরি হচ্ছিল।
স্থানীয়দের মতে, ব্রিজে রেলিং মজবুত থাকলে হয়ত হতাহতের সংখ্যা কম হতো।
এ ঘটনায় নিহতদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তবে তাদের নামপরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তাদের নাম হাবিবুর রহমান ও ফারুক হোসেন, তাদের দুজনের বাড়ি গোপালগঞ্জ এ। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ পুরুষ ও তিনজন নারী।
শনিবার দুপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিল। বাসটি সদর উপজেলার ধুলদি এলাকায় পৌঁছালে ব্রিজের ওপর একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে বাঁচাতে গিয়ে সামনে থাকা অপর একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। আর এতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি ব্রিজের নিচে কুমার নদে পড়ে যায়।
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসের ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ফরিদপুরের সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শিপ্রা গোস্বামী বলেন, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মত ব্যস্ততম এ সড়কে জরাজীর্ণ রেলিং দেওয়া ব্রিজটি অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। শক্ত রেলিং থাকলে বাসটি ব্রিজ থেকে ছিটকে নিচে পড়ত না। আর এতে দুর্ঘটনার ভয়াবহতার মাত্রাও কম হতে পারত।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (ফরিদপুর) নকিবুল বারি জানান, ব্রিজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে পাশেই আরেকটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। যা প্রায় শেষের পথে।

প্রকাশিত : ২৫ আগষ্ট ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চাঁদপুর রিপোর্ট-এমকেজেড

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
82 জন পড়েছেন