yava

কনডমে ইয়াবা ভরে গোপনাঙ্গে রেখে ধরা খেলেন তিনি

 

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

কনডমে ভরে বিশেষ অঙ্গে লুকিয়ে ইয়াবা পাচার করতে গিয়েও ধরা পড়েছেন শ্যামলী বেগম (২৮) নামে এক বিমানযাত্রী।

সোমবার বেলা ৩টার দিকে নিরাপত্তা তল্লাশিকালে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা।

আটক শ্যামলী বেগম টাঙ্গাইলের মির্জাপুর গড়াই এলাকার আজাহার মিয়ার স্ত্রী।

Night King Sex Update
নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌ*ন সমস্যার (যৌ*ন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহ*বাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্য*পাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01762240650, 01834880825
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক একেএম সাইদুজ্জামান জানান, আটক শ্যামলী বেগম একটি বেসরকারি ফ্লাইটের যাত্রী ছিলেন। নিরাপত্তা গেটে তল্লাশিকালে দায়িত্বরত নারী আনসার তার দেহ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করেন। বিশেষ অঙ্গে ঢুকানো কনডমের ভেতর রাখা ছোট ছোট বেশ কয়েকটি পোটলায় ৫ শতাধিক ইয়াবা পাওয়া যায়। বিকেলেই তাকে কক্সবাজার সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

কক্সবাজার থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) খায়রুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, পল্টন থানার ওসি বরখাস্ত

চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সদর দফতর সূত্র জানায়, চাকরি দেয়ার কথা বলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে রাজধানীর পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হকের বিরুদ্ধে।

পুলিশ সদর দফতর ইতোমধ্যে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের ‘সত্যতা’ পায়। পরবর্তীতে পুলিশ সদর দফতর তাকে সাময়িক বরখাস্তের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে নির্দেশ দেয়। সে অনুযায়ী রাতে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

ওই নারীর অভিযোগ, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে চাকরি দেয়ার কথা বলে নওগাঁ থেকে ঢাকায় ডেকে এনে একটি হোটেলে তোলেন ওসি। সেখানে খাবারের সঙ্গে ‘চেতনানাশক কিছু খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করেন’ ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

পুলিশ সদর দফতরে করা লিখিত অভিযোগে ওই নারী বলেন, চেতনা ফেরার পর ঘটনা বুঝতে পেরে তিনি প্রশ্ন করলে মাহমুদুল হক তাকে ‘ভালোবাসার কথা, বিয়ে করার আগ্রহের কথা’ বলেন।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরেও বিভিন্ন সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ করেন বর্তমানে একটি ব্যাংকে চাকরিরত ওই নারী।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। কিন্তু মাহমুদুল হক তাকে গর্ভপাতে ‘বাধ্য করেন’। বিয়ের জন্য চাপ দিলে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে অফিসে গেলে আবারও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেন।

এ পরিস্থিতিতে ওসি মাহমুদুলের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই নারী। তার দাবি, মাহমুদুলের বাবা প্রথমে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখলেও পরে ছেলের সঙ্গে মিলে নানাভাবে হুমকি দিতে শুরু করেন।

আর কোনো উপায় না দেখে একসময় আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে লিখেছেন ওই নারী।

গত আগস্টের শুরুতে ওই নারী পুলিশ সদর দফতরে অভিযোগ করলে মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোনালিসা বেগমকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্তে অভিযোগের কিছু সত্যতা পাওয়া যায়। সে অনুযায়ী পুলিশ সদর দফতরে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

335 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন