চাঁদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, ৪ জনের যাবজ্জীবন

0
51

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

http://picasion.com/

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন প্রধানকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ভেষজ ঔষধ পেতে যোগাযাগ করুন- হাকীম মিজানুর রহমান : 0162-240650, 01777988889, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, চাঁদপুর। যোগাযোগ : সকাল দশটা হতে রাত দশটা। নামাজের সময় ব্যতীত। এছাড়াও যৌ*ন সমস্যা, শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), হার্টের ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মতলব উত্তর উপজেলার কোয়রকান্দি এলাকার আব্দুল কাদির ফকিরের ছেলে আবুল কালাম (৫০), মো. বাবুল (৪২), মো. খোকন (৪৫) ও কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদী থানার আশুরকান্দা এলাকার ফল্লু মিয়ার ছেলে মো. লিটন (১৯)।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আমান উল্লাহ মামলার নথির বরাত দিয়ে বলেন, ২০১৫ সালের ৫ জুলাই রাত ১১টার দিকে কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন সুজাতপুর বাজারে নিজ দোকান থেকে একজন অপরিচিত কাপড় ব্যবসায়ীকে এগিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে বের হন।

সুজাতপুর থেকে দাসের বাজার সংযোগ ঘোড়াইর কান্দি গ্রামের সফিকুল ইসলামের বাড়ির কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি আব্দুল মতিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয় স্থানীয়রা। সেখানে আব্দুল মতিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে নাছিমা বেগম বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই চারজনকে আসামি করে মতলব উত্তর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মতলব উত্তর থানার তৎকালীন এসআই আবু হানিফ ২০১৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দিলে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

মামলার বাদী নাছিমা বেগম বলেন, আমার বাবা ও আসামিরা সম্পর্কে মামা-ভাগিনা। তাদের সম্পত্তির সমস্যা নিয়ে আমার বাবা শালিসি বৈঠকে রায় দেন। ওই রায় তাদের পক্ষে না হওয়ায় বিরোধ দেখা দেয়। সেই থেকে পরিকল্পিতভাবে আমার বাবাকে হত্যা করে তারা।

পিপি মো. আমান উল্লাহ বলেন, আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় হয়। দীর্ঘ চার বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এ রায় দেন।

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, রোববার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
260 জন পড়েছেন
http://picasion.com/