শামীমের কার্যালয়ে শুধু ‘টাকা আর টাকা’

 

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামীমকে গ্রেফতারের পর তার কার্যালয়ে শুধু টাকা আর টাকা পাওয়া যায়। রাজধানীর নিকেতনে তার ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্সে নগদ দেড় কোটি টাকা উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ ছাড়া ২০০ কোটি টাকার একটি এফডিআর পাওয়া গেছে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম তার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এ টাকা উদ্ধার করেন। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অভিযান চলছিল।

এর আগে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর নিকেতনে শামিমের ব্যবসায়িক কার্যালয় জি কে বিল্ডার্সে র‌্যাবের একটি দল এসে তাদের তুলে নিয়ে যায়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01762240650, 01834880825
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জি কে বিল্ডার্সের কর্মচারী দিদারুল ইসলাম।তিনি জানান, ‘সিটি কর্পোরেশনের লোক বলে বাসায় ঢোকে র‌্যাব। পরে র‌্যাব পরিচয়ে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে র‌্যাব। এসব অস্ত্র লাইসেন্সকৃত কি-না তা যাচাই করা হবে বলে র‌্যাব জানিয়েছে।

তবে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি র‌্যাব। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে র‌্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং) এএসপি মিজানুর রহমান বলেন, পরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

‘আমাকে বেইজ্জতি কইরেন না, আমার একটা সম্মান আছে’

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমকে শুক্রবার দুপুরে আটক করে র‌্যাব।

এরপর থেকেই বের হয় তার একের পর এক কুকর্মের আমলনামা।

তার কাছ থেকে নগদ দেড় কোটি টাকা এবং প্রায় ২০০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রেটের (এফডিআর) কাগজপত্র পায় র‍্যাব। এরপর সাংবাদিকদের ওই নগদ টাকার বান্ডিল দেখার সুযোগ দেয়া হয়।

এ সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘প্লিজ ছবি তুলবেন না।’তবে সাংবাদিক দেখে হতভম্ব হয়ে যান শামীম। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আল্লাহর ওয়াস্তে ছবি তুইলেন না, আমাকে বেইজ্জতি কইরেন না। আমার একটা সম্মান আছে। এখানে যা হচ্ছে, আপনারা দেখছেন। কিন্তু আমাকেও আত্মপক্ষ সমর্থন করতে দিতে হবে।’

তার এ কথা শুনে র‍্যাবের এক কর্মকর্তা শামীমকে বলেন, ‘আপনি আমাদের সহযোগিতা করেন। আমাদের সহযোগিতার জন্য ও অভিযানের সচ্ছতার জন্য মিডিয়া আমাদের সহযোগিতা করছে।’

অভিযানের পুরো সময়টুকু নিজেকে ক্যামেরা থেকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন শামীম। কখনও দাঁড়িয়ে, চেয়ারে বসে, হাত দিয়ে মুখ ঢাকছিলেন তিনি। আবার এটা-ওটা খোঁজার জন্য দীর্ঘক্ষণ টেবিলের নিচে মাথা ঢুকিয়েও রাখেন।

জি কে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বলে কথা লোকমুখে শোনা গেলেও সংগঠনটির শিক্ষা সম্পাদক মিজানুল ইসলাম মিজু বলছেন, শামীম যুবলীগের কেউ নন, তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।

প্রকাশিত: ০৪:০৮ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

232 জন পড়েছেন

Recommended For You

অনুমতি ব্যতীত এই সাইটের কোনো সংবাদ, ছবি অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশ আইনত দণ্ডনীয়