স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আবাসিক হোটেলে উঠে চারজন ধরা

0
934

 

জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী

http://picasion.com/

স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের টাউন কালিকাপুরের মালয়েশিয়া আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

মালয়েশিয়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার আমির হোসেন বলেন, আধাঘণ্টা আগে দুই মেয়ে ও দুই ছেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে আমাদের হোটেলের ২০৩ ও ২০৬ নাম্বার কক্ষ ভাড়া নেয়।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

তারা জানান, রাজশাহী থেকে আসছেন, কুয়াকাটা ভ্রমণে যাবেন। আমরা খাতায় সে মোতাবেক এন্ট্রি করেছি। এই ছেলে দুটি প্রায়ই মেয়ে নিয়ে আসতো বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি বাহিরে আছি। আটকদের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী রয়েছে বলে শুনেছি। থানায় ফিরে আটকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ নেয়া হবে।

একরাতে একই বাসায় ২ তরুণীকে গণধর্ষণ

একরাতে একই বাসায় দুই তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। দুটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত একজন এখনো পলাতক রয়েছে।

সোমবার রাতে সাভারের আশুলিয়া উপজেলার উত্তর গাজীরচট ভূঁইয়াপাড়ার ফজল ভূঁইয়ার বাড়িতে এসব ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার উভয় ঘটনায় থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। দুই মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির ম্যানেজার তুহিন আলম, কাইয়ুম ও সারজিল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা উত্তর গাজীরচট এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, উত্তর গাজীরচট এলাকার ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া পোশাককর্মী তরুণীকে দীর্ঘ তিন মাস ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল কাইয়ুম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি। কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় বাড়ির ম্যানেজার তুহিনের সহায়তায় তরুণীকে ধর্ষণের পরিকল্পনা করে কাইয়ুম।

সোমবার রাতে ওই তরুণী ঘর থেকে বের হলে কৌশলে অচেতন করে একই বাড়ির অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় কাইয়ুম ও তুহিন। সেখানে তরুণীকে রাতভর গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা। পরে ভুক্তভোগী তরুণী থানায় মামলা করলে অভিযান চালিয়ে কাইয়ুম ও তুহিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

অপরদিকে, চাকরি দেয়ার কথা বলে আরেক তরুণীকে ফজল ভূঁইয়ার বাড়ির পরিত্যক্ত কারখানায় নিয়ে যায় সজল। সেখানে আরেকজনের সহযোগিতায় তরুণীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায় সজল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী মামলা করলে অভিযান চালিয়ে সজলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে সজলের সহযোগীকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফজিকুল ইসলাম বলেন, উভয় গণধর্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানায় দুটি মামলা হয়েছে। দুই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত তিনজনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

প্রকাশিত: ০২:৫২ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
276 জন পড়েছেন
http://picasion.com/