যৌনদৃশ্যে অভিনয়ের সময় কেন চিৎকার করেন নায়িকারা?

0
605

 

বিনোদন ডেস্ক :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সিনেমায় নায়ক-নায়িকার ঘনিষ্ট দৃশ্যের প্রতি দর্শকের বাড়তি আগ্রহ থাকে। অনেক সিনেমাই আছে যেগুলো যৌনদৃশ্যের জন্য বিখ্যাত, সেইসঙ্গে সমালোচিতও। অনেক অভিনয়শিল্পীরা রয়েছেন যারা যৌনদৃশ্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত দর্শকের কাছে। একটু খোলামেলা দৃশ্যে পরিচালকরা সবার আগে তাদের কথাই ভাবেন।

অনেক দর্শকই ভাবেন- কেমন হয় যৌনদৃশ্যগুলোর শুটিং? এসব দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে নায়িকাদের অভিজ্ঞতাই বা কেমন? তারা কী সত্যি সত্যি কোনো অনুভূতি পান?

এই প্রসঙ্গে বছর দুয়েক আগে মুখ খুলেছিলেন বিদ্যা বালান, সোনম কাপুর, আনুশকা শর্মা, আলিয়া ভাটসহ বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী। বিদ্যা বালান তার অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন পরিণীতা ছবিতে সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে বিছানাদৃশ্যের শুটিং নিয়ে। ছবিটিতে তাদের ঘনিষ্ঠদৃশ্যটি বেশ বিখ্যাত।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) +88 01762240650, +88 01777988889
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

ওই দৃশ্য নিয়ে বিদ্যা বলেন, ‘দৃশ্যটির শুটিং করতে গিয়ে নার্ভাস ছিলাম। প্রথমে সঞ্জয় দত্ত চোখ বুজে ছিলেন! আমি চিৎকার করে বলতে বাধ্য হলাম- দাদা, আপনি এ কী করছেন! তার পর যা হলো, তাতে আমাকেই চোখ বুজে ফেলতে হলো। শটটা শেষ হওয়ার পর খুব ভয়ে ভয়ে চোখ খুলেছিলাম! ক্যামেরায় ফুটেজটা দেখে বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না আমি এতক্ষণ চোখ বুজে এসব করেছি! তবে দৃশ্যটি দর্শকের পছন্দ হয়েছিলো।’

সোনম কাপুর জানালেন, একবার তাকে ছবির স্বার্থে অভয় দেওলকে চুমু খেতে হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা বেশ মজার ছিল তার। তিনি বলেন, ‘আমি চুমু খেতে গিয়ে থমকে গেলাম! কীরকম একটা চেনা চেনা খাবারের গন্ধ পাচ্ছিলাম! এটা বলতেই শুটিং স্পটের সবাই হাসিতে লুটিয়ে পড়েছিল। সবাই বুঝতে পেরেছিল আমি চিকেনের কথা বলছি।’

যৌনদৃশ্যে আলিয়া ভাটের অভিজ্ঞতা কেমন? হালের জনপ্রিয় এই নায়িকার ভাষ্য, ‘চুমু খেতে গেলে আমি বিপদে পড়ে যাই। আমার ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন বদলে যায়! আর এতে পরিচালক রেগে যান। বার বার চেঁচামেচি করতে থাকেন আমার এক্সপ্রেশন ঠিক করার জন্য!’

তবে যৌনদৃশ্যকে মোটেও কোনো উপভোগ্য বা মজার কাজ বলে মনে করেন না নেহা ধুপিয়া। তার মতে এটি খুবই পরিশ্রম ও ঝক্কির কাজ। তিনি একটি অনুষ্ঠানে এসে যৌনদৃশ্য নিয়ে বলেন, ‘একবার এক ছবিতে নায়কের সঙ্গে জলকেলির দৃশ্য শুট করতে গিয়ে টের পেয়েছিলাম এটা কত কঠিন। সবাই ভাবে এসব শুট করে আমরাও মজা পাই! কিন্তু ব্যাপারটা আসলে সেরকম কিছু নয়।

কনকনে ঠান্ডা পানিতে বারবার গা ডুবিয়ে শট দেয়া খুব একটা আরামদায়ক ব্যাপার নয়। তাছাড়া আছে পরিচালকের ক্রমাগত নির্দেশ- এভাবে নয়, ওভাবে ইত্যাদি! ফলে, এর মধ্যে মজার কোনো জায়গা নেই। উপভোগেরও কিছু নেই এখানে।’

রাধিকা আপ্তের অভিজ্ঞতা হলো, ‘একবার যৌনদৃশ্যে অভিনয় করার সময় আমার নায়ক কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারছিল না! তখন পরিচালক আমায় বললেন, রাধিকা ওকে একটু ফাঁকায় নিয়ে যাও! নিয়ে গিয়ে জড়তা কাটিয়ে আনো! এ কী রে বাবা। আমি কী করে ওর জড়তা কাটাবো। আমার প্রচুর হাসি পাচ্ছিলো। কিন্তু আমি আমার বয়ফ্রেন্ড চরিত্র করা অভিনেতাকে সহজ হতে সাহায্য করেছিলাম আমি।’

হিরের গাউন পরে স্বামীর কাছে ক্ষমা চাইলেন রাখি

বলিউডের একটি আলোচিত নাম রাখি সায়ন্ত। নেগেটিভ বিষয় হোক কিংবা পজেটিভ বিষয় হোক নানা সময় মিডিয়ায় আলোচনায় থাকেন তিনি। মিটু আন্দোলনের সময়ও মিডিয়া উত্তাল করে রেখেছেন তিনি। এবার নতুন বিষয় নিয়ে আলোচনায় রাখি। এবার স্বচ্ছ কাপড়ের হিরে বসানো কাপড় পড়ে বিতর্কিত হলেন রাখি।

খাম খেয়ালি এক পোশাক পরে রাখি সাওয়ান্ত হাজির হয়েছিলেন ‘ছপ্পন ছুরি’ গানের লঞ্চ অনুষ্ঠানে। পোশাকটি এমন ছিলো, তার শরীরের সব কিছুই দেখা যাচ্ছিলো। এমন পোশাক পরা না পরা সমান। যখন অনুষ্ঠানের লাইট তার উপর পড়েছে জ্বলে উঠেছে গায়ের হিরেগুলো। লজ্জায় পড়েছেন রাখি।

এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে। রাখি ও তার মা দুজনেই দাবি করেন শুধুমাত্র গ্ল্যামারাস দেখানোর জন্যই এমন পোশাক পরেছিলেন রাখি।

রাখি বলেন, ‘ডিজাইনার যখন দিয়েছিলেন, তখন একদম জানতাম না পোশাকটা এতটা ট্রান্সপারেন্ট হবে। ২৫ কেজির গাউনে হিরে লাগানো রয়েছে। রাতে সব আলো আমার গাউনের উপর এসে পড়ায় গোটা শরীরটাই দেখা যাচ্ছিল।’

সদ্য এনআরআই-কে বিয়ে করেছেন রাখি সাওয়ান্ত। শ্বশুর বাড়ির লোকদের কাছেও ক্ষমা চাইলেন রাখি। তিনি বলেন, ‘ আমি কোনওদিন চাই না যে বিয়ের পর আমি এমন কোনও পোশাক পরি। কিন্তু আমি আমার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেদের দুঃখ দিতে চাই না। আমি ওদের কাছে ক্ষমা চাইছি।’

প্রকাশিত: ০২:০১ পিএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
232 জন পড়েছেন