অন্য নারীকে ধর্ষণের সময় স্বামীকে ধরে ফেললেন স্ত্রী

0
918

জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে উপজেলার খাসকররা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার বিকেলে ওই গৃহবধূ এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী শরিফুলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01762240650, 01834880825
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে গেছে, ঘটনার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী ব্যক্তিগত কাজে ঝিনাইদহে গিয়ে আটকে যান। তিনি বাড়ি ফিরতে না পেরে ঝিনাইদহে রাতযাপন করেন। ওই গৃহবধূ বাড়িতে একা থাকার সুযোগে প্রতিবেশী শরিফুল ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে।

এদিকে রাতে ঘর থেকে শরিফুল বের হয়ে দীর্ঘক্ষণ না আসায় তার স্ত্রী স্বামীকে খুঁজতে বের হন। এরপর প্রতিবেশীর ঘরে স্বামীর ধর্ষণের দৃশ্য দেখে ফেলেন তিনি। এ সময় ভুক্তভোগী গৃহবধূ এবং শরিফুলের স্ত্রীর হৈ চৈ শুনে প্রতিবেশীরা এসে শরিফুলকে আটক করে। তারপর ভুক্তভোগী গৃহবধূ থানায় আসতে চাইলে প্রতিবেশীরা তাকে আসতে দেয়নি। এমনকি শরিফুলকেও ছেড়ে দেয় তারা। অবশেষে শুক্রবার বিকেলে দিকে ওই গৃহবধূ থানায় এসে শরিফুলের নামে মামলা করেন।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সি জানান, খাসকররা গ্রামের হবিবর রহমান সর্দারের ছেলে শরিফুলকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

কাবিননামা নিতে আদালতে ছুরি নিয়ে প্রবেশের সময় নারী আটক

কুমিল্লার আদালতে ছুরি নিয়ে প্রবেশের সময় রোজিনা আক্তার (৩৬) নামের নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে বিয়ের কাবিননামা সংগ্রহের জন্য ওই নারী আদালতে প্রবেশের সময় পুলিশ তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাসি করে একটি ছোরাসহ তাকে আটক করে।

রোজিনার গ্রামের বাড়ি জেলার লালমাই উপজেলার তুলাতলী গ্রামে। ছোরা রাখার কারণ অনুসন্ধানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিকালে কুমিল্লা আদালতে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে আজ আদালতের গেটে তল্লাসে চালিয়ে ওই মহিলার ব্যাগে একটি ছোরা পেয়ে তাকে আটক করা হয়। কেন ব্যাগে ছোরা নিয়ে তিনি আদালতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার প্রথম বিয়ে ডিভোর্স হয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের কাগজপত্রের জন্য তিনি আদালতে এসেছিলেন। পুলিশ সুপার আরও জানান, ওই নারীর বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নিয়ে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

উল্লেখ, চলতি বছরের ১৫ জুলাই কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক বেগম ফাতেমা ফেরদৌসের আদালতে প্রকাশ্যেই ঘটে খুনের ঘটনা। ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কান্দি গ্রামের আবদুল করিম হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের সময় হঠাৎ পকেট থেকে উন্মুক্ত ধারালো ছুরি হাতে ওই হত্যা মামলার ৬নং এজাহারনামীয় আসামি হাসান একই হত্যা মামলার ৪নং আসামি ফারুককে হত্যা করতে উদ্যত হয়। এক পর্যায়ে জীবন বাঁচাতে ফারুক দৌঁড়ে বিচারকের খাস কামরায় আশ্রয় নিলেও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সে সেখানে লুটিয়ে পড়ে। পড়ে কুমেক হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। নিহত ফারুক কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার কান্দি গ্রামের অহিদ উল্লাহর ছেলে। ঘাতক হাসান কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ভোজপাড়া গ্রামের শহিদ উল্লাহর ছেলে।

প্রকাশিত: ১১:১৮ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
175 জন পড়েছেন