প্রেমিকের বিয়ের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক দিয়ে বিপাকে তরুণী!

0
605
প্রতীকী ফাইল ছবি

 

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আট মাস আগে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শিমুলকান্দি এলাকার মলি মিয়ার সঙ্গে মেয়েটির (১৯) বিয়ে দেয় পরিবার। বিয়ের একমাস পর মেয়েটি জানতে পারেন স্বামী মাদকাসক্ত।

পরে তিনি তার বাবাকে ঘটনা জানালে তাকে বাড়িতে আনা হয়। এরপর মেয়েটি আর স্বামীর বাড়িতে যায়নি। বাবার বাসায় থাকা অবস্হায় তিন মাস আগে তার মোবাইলে রং নাম্বার থেকে ফোন আসে।

পরিচয় হয় আপন মিয়া (২৫) নামে এক যুবকরে সঙ্গে। তারপর ফেসবুকে ম্যাসেজ আদান- প্রদান ও মোবাইল ফোনের আলাপনে আপন মিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌন সমস্যার (যৌন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহবাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্যপাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01762240650, 01834880825
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

এরই মধ্যে তারা শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন। প্রেমিক আপন মিয়ার বিয়ের আশ্বাসে স্বামীকেও তালাক দিয়েছেন ওই তরুণী।

এখন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়ে উধাও প্রেমিক আপন মিয়া। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন ওই তরুণী। কোনো উপায় না পেয়ে তিনি গত শনিবার ভৈরব থানায় প্রেমিক আপন মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওই তরুণীর বাড়ি কিশোরগঞ্জর জেলার মিটামইন উপজেলার অরিঅন্দন গ্রামে। তবে তার অটোচালক বাবা পেশার কারণে ভৈরব শহরের ভৈরবপুর উত্তরপাড়া উপজেলা সংলগ্ন এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন।

আর প্রেমিক আপন মিয়ার বাড়ি ভৈরব উপজেলার পানাউল্লার চর গ্রামে। তিনি পেশায় একজন ট্রাকচালক বলে জানা গেছে।

ওই তরুণী জানান, আপন মিয়া তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়ায় কয়েকদিন আগে তিনি তার স্বামীকে তালাক দেন। এরপর আপন মিয়া তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তার বাড়িতে গেলে তার মা-বাবা গালিগালাজ করে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এ ঘটনা শুনে নিজের মা-বাবাও মেয়েকে গালমন্দ করেন। নিরুপায় হয়ে গত শনিবার রাতে তিনি ভৈরব থানায় অভিযোগ দেন।

তিনি বলেন, আপন মিয়া আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে আমার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশা করেছে। এখন যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। সে আমাকে বিয়ে না করলে আমার আত্মহত্যা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

ভৈরব থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ওই তরুণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাটি তদন্ত করতে থানার ওসি আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। অভিযোগ পেয়ে শনিবার রাতেই আমি আপন মিয়ার বাড়িতে গিয়েছি কিন্তু তাকে পায়নি।

আরও বলেন, ঘটনাটি উভয় পরিবারকে আমি জানিয়েছি। তারা নিজেরা বিষয়টি মীমাংসা করে নিলে ভালো হয়। অভিযুক্ত আপন মিয়ার পরিবার বিষয়টি মীমাংসা না করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
183 জন পড়েছেন