দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি মনোহর আলীর পাশে সাংসদ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম

0
12

মোঃ জামাল হোসেনঃ

চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তির দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি দূঃখী মনোহর আলী (৫৫) এর পাশে দাঁড়ালেন সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম।

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ভিক্ষাবৃত্তি করে চলতো মনোহার আলীর সংসার। তিন মেয়েকে নিয়ে থাকেন একটি ঝুঁপড়ি ঘরে। গত কয়েক দিন ধরে মনোহর আলীর দুঃখ দুর্দশা নিয়ে লেখালেখি হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ঘটনাটি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম’র নজরে আসে। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আকতারকে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মনোহর আলীর বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বলেন।

ইউএনও মনোহর আলীর খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে সত্যই অসহায় ও দুর্দশার মধ্যে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করছেন তিনি। সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমকে বিষয়টি অবহিত করেন ইউএনও। সংসদ সদস্যের নির্দেশে ইউএনও শিরিন আকতার তাকে নগদ ৫ হাজার টাকা ও চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনে দেন।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরশাক গ্রামের বাসিন্দা মৃত গফুর আলীর ছেলে মনোহর আলী। স্ত্রী আশরাফী বেগম, তিন মেয়ে জ্যোস্না সালমা ও নাজমাকে নিয়ে থাকেন পলিথিন মোড়ানো একটি ঝুঁপড়ি ঘরে। অনাহারে অর্ধাহারে ঝুঁপড়ি ঘরেই জীবন কাটে তাদের।

সরকারের দেয়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কোন সহায়তা তার ভাগ্যে জোটেনি। বড় মেয়ে জ্যোস্নাকে বিয়ে দিলেও অভাব অনটনের কারণে স্বামী তাকে বাপের বাড়ী পাঠিয়ে দিয়েছে।

রোববার সকালে মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম সরাসরি সেই মনোহর আলী ও তার পরিবারকে দেখতে শোরসাক গ্রামে হাজির হন। সেখানে অন্ধ মনোহর আলী সংসদ সদস্যকে কাছে পেয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ সময় সংসদ সদস্য ও তার সাথে থাকা ইউএনও শিরিন আকতার, পৌর মেয়র আবদুল লতিফ মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান মিন্টু, থানার ওসি মো. শাহ আলম, ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদারসহ নেতা-কর্মীদের কেহই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
56 জন পড়েছেন