নারী ও পুরুষের যৌন সমস্যার কারণ ও প্রতিকার

ডা. মিজানুর রহমান, ডিইউএমএস, বিএসএস

মানুষের যৌনানুভূতি জাগাতে বা যৌনতার অনুভূতি এবং তৎসম্পর্কিত যৌনউদ্দীপনা এবং চরমপুলকের বিষয়টি মূলত যৌন ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করার ফলেই ঘটে থাকে এবং মানুষের মস্তিষ্ক এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে। নারী এবং পুরুষের যৌনউদ্দীপনা একই সাথে শুরু হয় না।

নারীর উদ্দীপনা পুরুষের চেয়ে লঘু এবং ধীরগতিতে সৃষ্টি হয়ে পরবর্তীতে সেটা অতিরিক্ত সময় স্থায়ী হতে পারে। আমি এখানে বোঝাতে চাচ্ছি নারীর যৌনসাড়া সৃষ্টি হলে সেটার স্থায়ীত্ব পুরুষের উদ্দীপনা স্থায়ীত্বের চেয়ে বেশি স্থায়ী হয়। পুরুষ এবং নারীর যৌন উদ্দীপনার জন্য কয়েকটি ইন্দ্রিয় বা যৌনাঙ্গ ব্যাপকভাবে কাজ করে।

পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ হলো তার লিঙ্গ এবং এটি পুরুষের বাহ্যিক এবং প্রধান যৌনাঙ্গ। নারীর মতো পুরুষের অন্তর্গত কোন যৌনাঙ্গ নেই। পুরুষের অন্ডথলিতে বীর্য এবং শুক্র উৎপন্ন হয়। দৈহিক মিলনের সময় এই শুক্র বীর্যের মাধ্যমে পুরুষের লিঙ্গ থেকে বের হয়ে আসে এবং পুরুষ চরমপুলক লাভ করে। সাধারণত লিঙ্গের আকার নিয়ে সবসময়ই বহু পুরুষকে উদ্বিগ্ন থাকতে দেখা যায়।

gif maker

অথচ এটি একটি তুলনামূলক অহেতুক এবং অনর্থক যৌনচিন্তা। পুরুষের লিঙ্গের সাইজ বিশেষ করে সার্কভুক্ত এশিয়া অঞ্চলে পুরুষের লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৫ থেকে সাড়ে ৫ ইঞ্চি। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম হতে পারে যেমন- কারো কারো লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি আবার অনেকের লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ৪ থেকে সাড়ে ৪ ইঞ্চি হতে পারে। মনে রাখবেন উভয় প্রকার লিঙ্গ দ্বারাই সফল যৌনমিলন ঘটানো সম্ভব।

পুরুষের উত্তেজনার মূল কেন্দ্রস্থল হলো তার লিঙ্গ। লিঙ্গের উত্থানই পুরুষের মূল যৌনশক্তি। নারীর বাহ্যিক যৌনাঙ্গ এবং অন্তর্গত যৌনাঙ্গ রয়েছে। বাহ্যিক যৌনাঙ্গের মধ্যে নারীর ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর সবচেয়ে বেশি যৌন স্পর্শকাতর অঙ্গ। পুরুষ যৌনমিলন পূর্বে নারীর এই যৌনাঙ্গ স্পর্শের মাধ্যমে নারীকে যৌনকাতর করে তুলতে পারে। পুরুষ এবং নারী উভয়েরই যৌন উত্তেজনার সময়ে তাদের রক্তচাপের পরিমাণ বেড়ে যায়। পুরুষের ক্ষেত্রে হার্টবিট, হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ১শ’ থেকে ১৭৫ এবং নারীর ক্ষেত্রে সেটা প্রতি মিনিটে ৮০ থেকে ১৫০ পর্যন্ত উঠতে পারে।

পুরুষ এবং নারীর যৌথ উত্তেজনার শেষ পর্যায় হলো চরমপুলক। এসময়ে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে এবং নারী চরমতৃপ্তি বা চরমপুলক লাভ করে। এটি শারীরিকভাবে যৌন টেনশনকে কমাতেও সাহায্য করে। চরমপুলকের সময় পুরুষ এবং নারীর দৈহিক এবং মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যায় এবং এটা চরমপুলক লাভের পর একেবারে কমে যায়। তবে সাধারণত যে কয়টি বিষয় পুরুষ এবং নারীর যৌনতার জন্য প্রয়োজন তা হলো- উভয়ের যৌন হরমোনের স্বাভাবিকতা, নারীর যোনির আদ্রƒতা, পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা এবং সঠিক উত্থান এবং বিশেষ করে উভয়ে উভয়ের প্রতি যৌনচাহিদা এবং আকর্ষণবোধ করা। পুরুষের যৌন হরমোন হলো টেস্টোস্টেরন এবং নারীর যৌন হরমোন হলো ইস্ট্রোজেন।

gif maker

সাধারণত শেষ রাতের দিকে পুরুষের যৌন হরমোন সবচেয়ে বেশি মাত্রায় শরীরে অবস্থান করে এবং এজন্য সকালের দিকে যৌন আকর্ষণ এবং যৌনক্ষমতা একটু বেশি থাকে। যৌনতা এবং বয়সমধ্য বয়সে এসে পুরুষ এবং নারী যৌনতার প্রতি বেশি আকর্ষণ এবং চাহিদাবোধ করে। কৈশোর পেরিয়ে যৌবনপ্রাপ্তির পর থেকে নারী এবং পুরুষ উভয়ে মোটামুটি ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত তারা যৌনমিলনে সক্রিয় থাকে। তবে মধ্য বয়সে যৌনতার প্রতি আকর্ষণ থাকে তুলনামূলকভাবে বেশি। নারীর মেনোপজের সময় তার রজঃনিবৃত্তির সূচনা হয়। এটি অনেক নারীকেই যৌনতার প্রতি উদাসীন করে তোলে। আমাদের দেশে প্রায় ক্ষেত্রে ৪৫ বছরের পর নারীদের যৌনভাবে নিষ্ক্রিয় দেখা যায়। পুরুষের ক্ষেত্রে এই সময়ের কাছাকাছি বা ৫০ বছর বয়সের পরেও যৌনভাবে সক্ষম থাকতে দেখা যায়।

মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যৌনইচ্ছার কমতির কারণ হলো যৌন হরমোন কমে যাওয়া। তবে নানাবিধ শারীরিক এবং মানসিক কারণেও পুরুষ এবং নারীর যৌনইচ্ছা এবং যৌনশক্তি কমে যেতে পারে। আর্থ্রাইটিস, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারজাতীয় শারীরিক অসুস্থতা যৌনতার ওপর প্রভাব ফেলে। তেমনি নানাবিধ মানসিক অসুস্থতাও যৌনইচ্ছা এবং ক্ষমতাকে নষ্ট করে দিতে পারে এবং যে সমস্যায় পুরুষ এবং নারী উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে।

অসুস্থতাজনিত যৌনসমস্যাকেন্দ্রীয় এবং পেরিফেরাল স্নায়ুব্যবস্থার ত্রুটি, স্পাইনাল কর্ডের আঘাত এবং টিউমারের কারণে যেসব সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে যেমন- লিঙ্গ উত্থানে সমস্যা লিভার সিরোসিস, এমাইওট্রোফিক ল্যাটাবলি ইসক্লোরোসিস, যৌনইচ্ছা এবং ক্ষমতাকে বিঘিœত করে ফ্রন্টাল অথবা টেম্পোরাল লবের টিউমার। প্রোস্টেটেকটোমির ফলে স্নায়ুবৈকল্য দেখা দেয় যার ফলে যৌনইচ্ছা কমে যায়লাম্বার সিমপ্যাথেক্টমিইপিসিওটোমি অবসটেট্রিক্যাল ট্রমা; যোনির অভ্যন্তরে লিঙ্গ প্রবেশের সমস্যা এবং কামরস নিঃসরণে সমস্যা তৈরি করে। লিভার সিরোসিস এবং ইস্ট্রোজেন সমস্যা এবং এজন্য যৌন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। ডায়াবেটিস সমস্যার ফলে পুরুষ এবং নারীর যৌনজীবনে নানা যৌনসমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরুষের যৌন সমস্যা একটি ব্যাপক ও গভীর মনোদৈহিক জটিল অবস্থা। তাই কোন সহজ সরল পদ্ধতিতে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসা করা সম্ভব নাও হতে পারে।

gif maker নাইট কিং ব্যবহারে যৌন সমস্যার সমাধান করে। যেমন অল্পক্ষণেই বীর্যপাত হয়ে যাওয়া, বেশিক্ষণ সহবাস করতে না পারা, সন্তান না হওয়া, প্রস্রাবের আগে পরে বীর্যপাত, সামান্য চাপেই বীর্যপাত, অসময়ে বীর্যপাত, পেনিসে ব্যথা-বেদনা ইত্যাদি সমস্যার জন্য একশত ভাগ কার্যকরী ও পরীক্ষিত।

যাদের লিঙ্গ সহবাসের সময় নরম হয়ে যায়, বেশিক্ষণ সহবাস করতে পারেন না, নাইট কিং তাদের জন্য আদর্শ। সারাদেশে হাজার হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে। এটি ভেষজ মেডিসিন।এতে কোনো প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে এটি ব্যবহারে কোনোপ্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

নাইট কিং ও নাইট কিং গোল্ড সেবনে দেহে সিমেন সংখ্যা বাড়ে। ফলে হারানো যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায় ঠিক যেনো যৌবনকালের মতোই।

হাকীম মো. মিজানুর রহমান সবসময় অর্ডার ও রোগীর বিষয়টি  সার্বক্ষণিক নজর রাখেন। অত্যন্ত সুনাম ও বিশ্বস্ততার সাথে সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ডেলিভারী করে থাকি। হাকীম মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করা হয় বলে প্রতারিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।তিনি দীর্ঘ ছয় বছর যাবত দেশের ও বিদেশের এ সমস্ত রোগীদেরকে সরাসরি ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করেন।

আপনার প্রয়োজন হলে সরাসরি তাঁর সাথে আপনার সমস্যার কথা বলে পরিপূর্ণ কোর্স গ্রহণ করতে পারেন। পরিপূর্ণ কোর্স এক মাসের জন্য 1850/- টাকা। এবং ২ মাসের জন্য 2700/- টাকা।

আর শুধুমাত্র

নাইট কিং মূল্য ১০৫০/- টাকা।

নাইট কিং গোল্ড মূল্য ১৩৫০/- টাকা।

নাইট কিং গোল্ড পাউডার ও নাইট কিং গোল্ডসহ এক কোর্স ১৮৫০/- টাকা।

কুরিয়ার সার্ভিসে পেতে হলে কুরিয়ার সার্ভিস ফি-১০০/- টাকা অগ্রিম প্রদান করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে।

ঔষধ নিতে হলে আপনাকে কুরিয়ার সার্ভিস খরচ ১০০/- টাকা বিকাশ করে কনফার্ম করলে সুন্দরবন পরিবহনে কন্ডিশনে আপনার জেলায় ঔষধ পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ঔষধের মূল্য কুরিয়ার সার্ভিস থেকে পরিশোধ করে সেখান থেকে ঔষধ নিতে পারবেন। ভেতরে বিস্তারিত সব ব্যবহার বিধি লিখে দেয়া হবে।

এছাড়াও সরাসরি আমাদের অফিস থেকে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

ডা. মিজানুর রহমান (ডিইএএমএস)

ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার

হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত)

+88 01762240650, +88 01834880825

যৌন সমস্যা, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা),

হার্টের ব্লকেজ শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর , আলসার, টিউমার

ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

851 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন