বিয়ের আগের রাতে খালাকে নিয়ে উধাও যুবক!

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

সিলেটের বিয়ানিবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নে খালাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন লিটন আহমেদ (২৭) নামের এক তরুণ।

লিটন মাথিউরা ইউনিয়নের পুরুষপাল গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, লিটন যাকে নিয়ে পালিয়ে যায় সেই তরুণী লিটনের মায়ের আপন চাচাত বোন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের দিন ধার্য ছিল।

Night King Sex Update
নারী-পুরুষের যে কোনোা যৌ*ন সমস্যার (যৌ*ন দুর্বলতা, সন্তান না হওয়া, সহ*বাসে ব্যর্থতা, দ্রুত বীর্য*পাত, মেহ-প্রমেহ) সমাধানে ‘নাইট কিং’ ও ‘নাইট কিং গোল্ড’ কার্যকরী। বাংলাদেশের যে কোনো জেলা বা উপজেলায় কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ‘নাইট কিং’ পেতে যোগাযোগ করুন :
হাকীম মিজানুর রহমান
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, যোগাযোগ করুন : (সকাল ১০টা থেকে রাত ০৮ টা (নামাজের সময় ব্যতীত) 01762240650, 01834880825
এছাড়াও শ্বেতী রোগ, ডায়াবেটিস, অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বর রাতেই গায়ে হলুদ শেষে তাকে নিয়ে উধাও হয়ে যান লিটন। ঘটনার ৪দিন পেরিয়ে গেলেও উধাও হওয়া যুগলের এখনও খোঁজ মিলেনি। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে জানা যায়, লিটনের মা মরিয়ম বেগম ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য। শিশু বয়সে লিটনের মায়ের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। তখন থেকে সে তার মায়ের সাথে নানাবাড়ি থাকতো। অনেক কষ্ট করে মা লিটনসহ তার ভাইবোনদের বড় করে তোলেন। ঘটনার পর থেকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা মরিয়ম বেগম।

মাকে ধর্ষণ করত গ্রাম পুলিশ, মেয়েকে ধর্ষণ করত ভাই

কুষ্টিয়ার বিধবা মা ও তার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তবে মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নিলেও বিধবা ওই মাকে ধর্ষণের ঘটনায় কোনো মামলা নেয়নি পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১ নম্বর খোকসা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্য মুক্তার হোসেন ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় এক বছর ধরে ওই বিধবাকে ধর্ষণ করে আসছে। এই সুযোগে মুক্তারের আপন ভাই মাহাবুল আলম টিক্কা বিধবার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত কয়েক দফায় ধর্ষণ করে।

ওই ছাত্রী বিষয়টি পরিবারের লোকদের জানালে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেন। ইউএনও বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ভুক্তভোগী মা ও মেয়েকে থানায় পাঠান। পরে সোমবার সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় একটি এজহার নিয়েছে পুলিশ। তবে মাকে ধর্ষণের ঘটনায় কোনো মামলা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ওই বিধবা মা।

খোকসা ইউনিয়নের এক মেম্বার ধর্ষকদের পক্ষ নেয়ায় বিধবা মা ও তার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের বিচার শেষ পর্যন্ত হবে কি-না এ নিয়ে শঙ্কায় ভুগছে ভুক্তভোগী পরিবার।

এ ব্যাপারে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম মেহেদী মাসুদ জানান, বিধবা মা ও তার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রাম পুলিশ মুক্তার হোসেন ও তার ভাই মাহাবুল আলম টিক্কার বিরুদ্ধে সোমবার থানায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যেই গ্রাম পুলিশ মুক্তার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তবে অভিযুক্ত মুক্তার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে বলেন, ওই বিধবার সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে। চাকরিচ্যুত করার জন্য তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে।

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

755 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন