‘সেচ প্রকল্প এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আশির্বাদ’

সফিকুল ইসলাম রানা :
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মেঘনা ধনাগোদা পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের ১ম বার্ষিক সাধারণ সভা রোববার চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেঘনা ধনাগোদা পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. আলাউদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পাউবো’র প্রকল্প পরিচালক রফিক উল্লাহ।

আরো বক্তব্য রাখেন- পাউবো’র কুমিল্লা অঞ্চলের মূখ্য কর্মকর্তা ইনামুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দিন মৃধা, পাউবো’র উপ-প্রধান কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোমিনুল হক ভূঁইয়া, সমবায় কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, পাউবো’র শাখা কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন, পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের নেতা মো. শামসুদ্দিন খান, মো. কাজী সালাউদ্দিন, আবদুল আউয়াল সরকার, রেহান উদ্দিন নেতা, এসোসিয়েশনের নেতা শাহজাহান প্রধান, শরীফ উল্লাহ দর্জি, বাবুল হোসেন, রাসেল ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী শাহীন।

পাউবো’র প্রকল্প পরিচালক রফিক উল্লাহ বলেন, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আশির্বাদ। এখানের কৃষকরা যে ধান উৎপাদন করে তা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের জাতীয় খাদ্য ঘাটতি মিটাতে সহায়তা করে আসছে। সেচ প্রকল্পের উন্নয়নে সরকারের কাছে ১১শ’ ২৩ কোটি টাকা চেয়ে প্রস্তাবনা প্রেরণ করা হয়েছে। অচিরেই আমার এ অর্থ বরাদ্দ পেয়ে কাজ শুরু হবে।

তিনি আরো বলেন, সেচ প্রকল্পের পানি নিষ্কাশন খাল, সেচ খাল সংস্কারের মাধ্যমে জমিতে সুন্দর ভাবে সেচের ব্যবস্থা করার জন্য এ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হবে।

বক্তারা বলেন, যে উদ্দেশ্যে সেচ প্রকল্প করা হয়েছে তা ব্যস্তে যাচ্ছে কিছু অসাধু লোকের জন্য। যত্রতত্র বাড়ি-ঘর নির্মাণ, আবাদী জমিতে গাছের বাগান তৈরি করছে। সেচ ক্যানেল বরাট করছে নিজেদের ইচ্ছে মতো। নিষ্কাশন খাল ও জমি দখল করে বিভিন্ন ইমারত বানাচ্ছে। বেদখলকৃত জমি উদ্ধারে অচিরেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

238 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন