হাইমচর জব্দ ৪ মণ ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ

0
65

সাহেদ হোসেন দিপু, হাইমচর প্রতিনিধি :
চাঁদপুর জেলার হাইমচরর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নের জালিয়ারচর বালুমহালের পাশে নদীরপাড় থেকে ৪ মণ ইলিশ মাছ আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ- সভাপতি মো. হুমায়ুন প্রধানীয়া দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. মাসুমের সহযোগিতায় এ মাছ আটক করেন।

http://picasion.com/

গত মঙ্গলবার রাত ৯টায় জালিয়র চর এলাকার নদীর পাড়ে মাছ বিক্রির সংবাদ পেয়ে স্থানীয় হুমায়ুন প্রধানীয়া দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মাসুমের সহযোগিতায় মাছগুলো আটক করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌসী বেগমকে সংবাদ দিলে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপস্থিত হতদরিদ্র লোকজন ও বিভিন্ন এতিমখানায় মাছগুলো বিতরণ করেন।

gif maker এসময় তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সকলে সহযোগিতা না করলে আমার একা পক্ষে জাতীয় সম্পদ মা’ ইলিশ শতভাগ রক্ষা করা সম্ভাব হবে না।

তিনি বলেন, হাইমচর থানা পুলিশ, নীলকমল নৌ-পুলিশের সহযোগিতা আমি পেয়ে এসেছি। কোস্টগার্ড তাদের খেয়ালখুশিমতো কাজ করছে; আমার সাথে কোনো সমন্বয় করছে না এবং বায়ারচর পুলিশ ফাঁড়ির কোনোরকমের সহযোগিতা আমি পাইনি, ফোন করেও তাদেরকে পাওয়া যায় না।

এছাড়াও তিনি হাইমচরের প্রত্যেকটি খালের মুখ বন্ধ করে দেয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মৎস্য প্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, হাইমচর থানা এসআই মোহাম্মদ আলি, নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ মো. মাসুম, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি হুমায়ুন প্রধানীয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আহমেদ আলি মাষ্টার, জেলে প্রতিনিধি মানিক দেওয়ানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উপজেলা আওয়ামীলীগ সহসভাপতি হুমায়ুন প্রধানীয়া চাঁদপুর রিপোর্টকে জানান, আমার এলাকায় মাছ বিক্রির একটি গুঞ্জন শুনছি। কে বা কারা এ মাছ বিক্রি করে আমার তা জানা ছিলো না। কারা এ মাছ বিক্রি করে তা জানার জন্য আমি লোকজন ঠিক করে দেই। তারই আলোকে আমার কাছে হঠাৎ ফোন আসলো মহন ঢালীর নেতৃত্বে সিরাজ মিজি, বাবুল গাজি, মনির মিজি ও তহু আলম নদীর পাড় সংলগ্ন বালু মাঠে মাছ ক্রয় করে জড়ো করছে। আমি বিষয়টি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাসুমকে জানালে তিনি সহ আমরা নেতকর্মীদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তারা মাছ ফেলে রেখে সবাই পালিয়ে যায়।

এ মাছ ব্যবসার সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের সাইকে আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

এ ছাড়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাশিয়ার সুরুজ এ মাছ নিধন এবং ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে তিনি জানান। তিনি সুরুজের মোবাইল ট্র্যাকিং করে আসল অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার জন্যে জোর দাবি জানান।

প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর/

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
218 জন পড়েছেন
http://picasion.com/