সব বাহিনীকে যুগোপযোগী করছি: প্রধানমন্ত্রী

0
18

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে দক্ষ করে গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

http://picasion.com/

বৃহস্পতিবার বিকালে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আর্তমানবতার সেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যেকোনো দুর্যোগে জনগণের পাশে থাকে সশস্ত্র বাহিনী। সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের’ সময় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এবং তাদের পুনর্বাসনে সশস্ত্র বাহিনীর বিশাল ভূমিকার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

gif maker

প্রধানমন্ত্রী জানান, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। জাতিসংঘের মিশনে অংশ নিয়ে যেসব সেনা প্রাণ দিয়েছেন সরকারপ্রধান তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনীতে এখন আমাদের মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। আমি ক্ষমতায় এসে সশস্ত্র বাহিনীতে প্রথম মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিই।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, আমাদের মিলিটারি একাডেমির প্রশংসা রয়েছে সারা বিশ্বে। বাইরের কেউ যখন আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করেন তখন এতে গর্বে বুক ফুলে যায় বলে জানান সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে আমরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। জাতির পিতার আদর্শে আমরা সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলছি। এ সময় তিনি জানান, দিন দিন প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

দেশের অর্থনীতি এখন অনেক শক্তিশালী জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। সবাই মিলে দেশকে গড়তে চাই।’ এ সময় তিনি দেড় গড়তে যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

চলমান সন্ত্রাস-দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কমান্ড মেনে দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এই সংবর্ধনায় জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টাগণ, মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি, ডেপুটি স্পিকার, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারগণ, বিচারপতিগণ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, মুখ্য সচিবসহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে অতিথিদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার :

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

ফেসবুকে মন্তব্য করুন
116 জন পড়েছেন
http://picasion.com/