Untitled 1 copy 18

ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় আসামী দুই শতাধিক নেতা-কর্মী

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো :

ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার সময় পুলিশের ওপর হামলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর দায়ে থানা পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে থানা পুলিশের এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে এ ঘটনায় অজ্ঞাত দুই শতাধিক লোকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং-১৫ তাং-১২.১২.২০১৯. ধারা ১৪৩/১৮৬/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/৩০৭)। তবে এমপি বা উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রুপ কোনো পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রকিব জানান, আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যকার সংঘর্ষের সময় পুলিশের এসআই নাজমুল, এসআই ইলিয়াছ ও এএসআই রাশেদ পাল আহত হয়। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা মামলা নিয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদগঞ্জের দুই জনপ্রতিনিধির মধ্যকার বিভেদ দ্বন্দ্ব নেতা-কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার জের হিসেবে উপজেলা পরিষদ চত্বরে দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অশ্লীল বাক্য বিনিময়, উত্তেজনা এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে ঘণ্টাকালব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উপজেলা পরিষদ চত্বর আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অনুসারীদের প্রকাশ্য সংঘর্ষ রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।

পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে নিজেরাই আহত হয়। অন্যদিকে দুই পক্ষ পরস্পরের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপের কারণে অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে পুলিশ ৬ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।

এদিকে পরিষদের ভেতরেও চলে উত্তেজনা ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়। ঘটনা নিয়ে সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পরস্পরকে দোষারোপ করেন। দুই দফা সংঘর্ষের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি দুটি সভাই স্থগিত করতে বাধ্য হন। সংঘর্ষ চলাকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমান, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ পরিষদ চত্বরে উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার :

চাঁদপুর রিপোর্ট : এমআরআর

263 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন