Untitled 1 copy 31

মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

সারাদেশে তাপমাত্রা কমে এসেছে। জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। বছরের প্রথমবারের মতো বইছে শৈত্যপ্রবাহও। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা – এই সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ৩ দিন শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

এর আগে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জাগো নিউজকে বলেছিলেন, ‘বুধবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। ২০, ২১ ও ২২ ডিসেম্বরের ভেতর একটা শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে মৃদু আকারে। ২২ ডিসেম্বরের পর আবার তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। এরপর আবার ২৫ ডিসেম্বরের পরে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ আসতে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে রাজশাহী, যশোর, খুলনা এই অঞ্চলে বেশি। মাঝারি আকারের শৈত্য প্রবাহ হলে এই তিন অঞ্চল ছাড়াও অন্য অঞ্চলেও এর প্রভাব পড়তে পারে।’

gif maker

আবহাওয়া অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে চুয়াডাঙ্গায় ৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর পাবনার ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি, যশোরে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি, বদলগাছীতে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০ ডিগ্রি, দিনাজপুরে ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি, তেঁতুলিয়ায় ও ডিমলায় ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি, টাঙ্গাইলে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি, ফরিদপুরে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

আর ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

প্রকাশিত :১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার :

চাঁদপুর রিপোর্ট : এস এস

513 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন