vitiligo dermasole

শ্বেতী রোগ হলে কী করবেন?

 

 

যে সকল চর্ম রোগের সঙ্গে আমরা পরিচিত তার মধ্যে শ্বেতী রোগ অন্যতম। রোগটির সঙ্গে কমবেশি আমরা সকলেই পরিচিত।  েএকে ইংরেজিতে ভিটিলিগো (Vitiligo) বলা হয়। সারাবিশ্বে হাজার হাজার রোগী এ রোগে ভুগছে। কিন্তু কুসংস্কারের জন্য সঠিক চিকিৎসায় রোগমুক্ত হতে পারছে না। ডা. মিজানুর রহমান এর চিকিৎসায় বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে প্রচুর রোগী এ রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। প্রবন্ধের শেষে তাঁর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। আপনারা তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ নিতে পারবেন।

ছোঁয়াচে রোগ না হলেও যে কেউ যেকোন সময় এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। রোগটি মরণব্যাধি কিংবা ঘাতক নয়, তবে একবার শরীরে বাসা বাধলে তা থেকে মুক্তি পেতে হলে কমপক্ষে কারো কারো জন্য দুই বছর চিকিৎসা নিতে হয়।

একবার এ রোগ হলে দ্রুত তা শরীরের অন্য স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। তাই দ্রুত এ রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হয়।

ব্যাতিক্রমধর্মী এ রোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিকিৎসকদেরও মাথাব্যাথার শেষ নেই। দুনিয়া জুড়েই এই অসুখ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণাও চলছে।

ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবহেলা করলে এই অসুখ রোগীর শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই শ্বেতীর দেখা মিললেই দ্রুত চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়া জরুরি।

এই অসুখে আমাদের ত্বকের রং তৈরি করার কোষ বা মেলানোসাইট নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় বা কমে যায়।

বেশির ভাগ শ্বেতী আজকাল অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার থেকে হয়। রোজকার জীবনে এই সব রাসায়নিক সকলের ত্বক সহ্য করতে পারে না। তখনই শুরু হয় সমস্যা।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, কিছু কিছু রাসায়নিক ব্যবহারের পর ত্বকের কোনও রকম পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে। সাবধান হতে হবে হেয়ার ডাই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও। এতে থাকা পি-ফেনিলেনেডিয়ামাইন বা ‘পিপিডি’ শ্বেতী ডেকে আনতে পারে।

এ ছাড়া সাবধানতা অবলম্বন করুন ডিও, পারফিউম-স্প্রে, ফরসা হওয়ার বিভিন্ন ক্রিম, ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো সানস্ক্রিন, অ্যাডহেসিভ রয়েছে এমন কোনও আঠালো দ্রব্য, ডিটারজেন্ট, কড়া অ্যান্টিসেপটিক থেকেও। এইগুলি ব্যবহার করলেই যে শ্বেতী হবে এমনটা নয়, তবে যাদের ত্বক এই সব রাসায়নিকের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না, বিপদ ঘনাবে তাদেরই।

রাসায়নিকের প্রভাব ছাড়াও সূর্যালোক ও মানসিক চাপও এই অসুখের অন্যতম কারণ।

তবে, ঠিক সময়ে শ্বেতীর চিকিৎসা শুরু করলে তা অবশ্যই কমে। সেরেও ওঠে বেশির ভাগটাই। এই অসুখ মোটেও ছোঁয়াচে কিংবা বংশগত নয়। স্বামী-স্ত্রীর দৈহিক মিলনের একে অন্যের শরীরের তা ছড়ায় না। তাই, বাবা-মায়ের থাকলেই যে সন্তানদের হবে এমনটা ভাবা সম্পূর্ণ ভুল হবে।

সতর্কতা

প্রথমত, কোনও রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে শরীরে কোনও সাদা দাগ হচ্ছে কি না সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তেনমনটা দেখা দিলেই বন্ধ করতে হবে ক্ষতিকর রাসায়নিক দেওয়া জিনিসের ব্যবহার।

দ্বিতীয়ত, ডিটারজেন্ট ব্যবহারের সময় গ্লাভস ব্যবহার করুন। সাবান, তেল, শ্যাম্পুর বেলায় বিজ্ঞাপনী চমকে প্রভাবিত হয়ে না কিনে, চেষ্টা করুন ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে কিনুন।

তৃতীয়ত, শ্বেতী ধরা পড়লে ছেড়ে দিন প্লাস্টিক বা রবারের জুতো পরা। সার্বিকভাবেই প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে ফেলতে পারলে ভাল হয়।

চতুর্থত, কোনও রকম ফরসা হওয়ার ক্রিম, হেয়ার ডাই ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে।

পঞ্চমত, সানস্ক্রিন ব্যবহারের সময় ইউভি এ ও ইউভি বি দুটোই ব্লক করছে কি না দেখুন। কেবল এসপিএফ-ই নয়, নজর রাখতে হবে পিএফ ফ্যাক্টরেও। এ ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের অনুমোদন দেওয়া সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সাবধানতার সঙ্গে কিছু ওষুধও প্রয়োজন হয়। তাই চিকিৎসায় অবহেলা নয়।

ষষ্ঠত, স্বাস্থ্যকর ডায়েট ও পর্যাপ্ত ঘুম মানসিক চাপ কমায়। দরকারে চাপমুক্ত রাখে এমন কোনও শখ বা নেশার দ্বারস্থ হতে পারেন।

যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায়  Recap ক্রিম, Vitiligo Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

সারাদেশে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার যোগে অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ পাঠানো হয়। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন।

অফিসের ঠিকানা : হাকীম মিজানুর রহমান, ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার, গাউছিয়া টাওয়ার (৩য় তলা), রামপুরবাজার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।

ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

Hakim Mizanur Rahman nk night king add

 

 

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)

(শতভাগ বিশ্বস্ত ও প্রতারণামুক্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান)

Dr. Mizanur Rahman (DUMS)

Ibn Sina Health care, Hazigonj, Chandpur.

Mobile.

01777988835

01762240650

01777988889

 

শ্বেতী রোগ, যৌন রোগ, ডায়াবেটিস,অশ্ব (গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা), ব্লকেজ, শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর , আলসার, টিউমার ইত্যাদি রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়।

আমরা খবরের বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাসী, চাঁদপুর রিপোর্ট গুজব প্রচার করে না

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি. ৩০ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫ মুহররম ১৪৪২ হিজরি, সোমবার

 

শেয়ার করুন