Rangpur

কাকডাকা ভোরে তাদের ছুটে চলা

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ

কুঁয়াশার চাদর ভেদ করে প্রতিদিনের রুজি রোজগারের জন্য ছুটে চলছে ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈলের শ্রমজীবী মানুষ।

ভোর রাতে পাখির গুঞ্জনে সারা পেয়ে এ এলাকার নিম্ন শ্রেণীর মানুষেরা পৃথিবীর রুজি-রোজগারের খোঁজে পাড়ি জমান উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে।

কেউ আবার গৃহস্থালি কাজে, কেউ আবার রাজমিস্ত্রির লেবার হয়ে তিন থেকে পাঁচ শত টাকা মাইনে পাওয়ার আশায় ছোট-বড় অটো, কিংবা অটো ভ্যান রিক্সা অথবা টেম্পুতে করে কাজে যান প্রতিদিন ।

১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোর সকালে এমন একটি চিত্র উপজেলার চৌরাস্তা মোড়ে দেখা যায়। মজিদ নামে এক শ্রমীক বলেন, ‘মানুষের বাসায় গিয়ে কাজ করলে ৩ থেকে সাড়ে ৪ শত টাকা পাই।

সংসারে তিন মেয়ে ও এক ছেলে ছেলে মেয়ে সবাই স্থানীয় কলেজে পড়ালেখা করে। এদের খাওয়া খরচ ও পড়ালেখার যোগান দিতে প্রতিদিন ভোরে উঠে মানুষের দুয়ারে কাজ করতে যেতে হয়’।

অপরদিকে দেখা গেছে, পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় মহিলা শ্রমিকদের সংখ্যা অনেক বেশি। সালমা নামের একজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এনজিও কিস্তির টাকা জোগাড় করতেই পুরুষ শ্রমিকদের সাথে তার এই পথ চলা।

তবে সালমার কোথায় বুঝা যায় পুরুষ শ্রমিকের টাকার পরিমান মহিলা সমিতির চেয়ে একটু বেশি দেন মহাজনরা। অবশ্য এতেই তারা সন্তুষ্ট থাকেন।

পাখি ডাকা ভোরে ধনী মানুষেরা যখন ঘুমিয়ে সময় অতিবাহিত করছে, ঠিক তখনি সংসারের স্বামী সন্তানের সব কাজ সারিয়ে কাজের সন্ধানে ছোটেন এই সব অভাবী নারী ও পুরুষরা। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সবাই যেন উৎসবে মেতেছে কাজকে ভালবেসে, বিনিময় কিছু অর্থ পাওয়ার আশায়। সন্তান সন্ততি নিয়ে ভালো খাবে বলে এই ভাবনায়।

201 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন