চালু হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ই-পাসপোর্ট

চাঁদপুর রিপোর্ট ডেস্ক :

ই-পাসপোর্টের প্রতীকী ছবি
অবশেষে চালু হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেবার উদ্বোধন করবেন। আর একই দিনে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হয়ে যাবে নয়টি ই-গেট। এর পরে দুটি স্থলবন্দর ও দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও ই-গেট বসবে। তবে ই-পাসপোর্টের সর্বনিম্ন ফি ৪ হাজার আর সর্বোচ্চ ১৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে দফায় দফায় পেছানোর পর চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট। গ্রাহকরা আগামীকাল থেকে ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবে। একই সঙ্গে এমআরপি পাসপোর্টও ব্যবহার করতে পারবে।

ই-পাসপোর্টধারীদের জন্য বাংলাদেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বসছে ৫০টি ই-গেট। আর শাহজালালের ২৬টির গেটের মধ্যে নয়টি গেট বসেছে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। কিন্তু সিলেট ও চট্রগ্রাম বিমানবন্দর এবং স্থলবন্দরে ই-পাসপোর্টের কোনো স্থাপনা তৈরি হয়নি।

তবে প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, উত্তরা ও কেরানীগঞ্জ থেকে দিনে পাঁচশো ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।

ই-পাসপোর্টে থাকছে পালিমারের তৈরি কার্ড ও একটি চিপ। এতে গ্রাহকের দশ আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশসহ গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য থাকবে এখানে। আর এই পাসপোর্ট পেতে সর্বনিম্ন ২ দিন এবং সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় লাগবে। এমনকি ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার এই ই-পাসপোর্ট পাওয়া যাবে ৫ ও ১০ বছর মেয়াদে।

এছাড়াও ১০ দিনের মধ্যে ই-পাসপোর্ট পাওয়ার সুযোগ আছে। একজন গ্রাহক ই-পাসপোর্ট নিতে যত বাড়তি সুযোগ-সুবিধা নেবেন ঠিক তত বেশি ফিও দিতে হবে। তবে প্রবাসী শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এর ফি কিছুটা কম থাকবে।

প্রসঙ্গত, এরই মধ্যে জার্মানি থেকে ২০ লাখ বই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে পাসপোর্ট পারসোনালাইজেশন কমপ্লেক্সে এসেছে। নতুন আরো ২ কোটি ৮০ লাখ বই বাংলাদেশে আসবে। আর ই-পাসপোর্টের তথ্য পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ডেটা বেইসেও থাকবে। এ কারণে খুব অল্প সময়েই ইমিগ্রেশন পার হতে পারবেন গ্রাহকরা।

প্রকাশিত :২০ জানুয়ারি ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার :

চাঁদপুর রিপোর্ট : এস এস

200 জন পড়েছেন
শেয়ার করুন